ফাইল ছবি

চণ্ডীগড়: ফের সামনে এল এক ভয়ঙ্কর ঘটনা। বেলেঘাটা কাণ্ডের পর শিরোনামে চণ্ডীগড়ের বুরাইল গ্রাম । প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর জন্য নিজের সন্তানকেই খুন করলেন মহিলা। বিস্ফোরক এই অভিযোগ করেছেন ওই মহিলার স্বামী দশরথ, যিনি পেশায় একজন ইলেকট্রিশিয়ান।

পুলিশের কাছে দশরথ নামে ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, রবিবার কাজ থেকে ফিরে তিনি দেখেন বাড়ি ফাঁকা। তাঁর স্ত্রী ও সন্তান কেউই বাড়িতে নেই। তিনি প্রথমে মনে করেন হয়তো বাচ্চাকে নিয়ে বাপের বাড়িতে গিয়েছেন স্ত্রী। সেই কথা জানার জন্য তাঁকে ফোন করেন তিনি।

কিন্তু তারপরেই ভুল ভাঙে। দশরথের দাবি, তাঁর স্ত্রী তাঁকে ফোনে জানান, বিছানার নীচের খাপে ছেলে রাখা আছে । একথা শুনে তড়িঘড়ি খাটের গদির নীচের খাপ খুলে দশরথ উদ্ধার করে তাঁর আড়াই বছরের ছেলেকে। কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। আড়াই বছরের শিশুর দেহে তখন প্রাণের স্পন্দন নেই।

এরপরেই পুলিশের দ্বারস্থ হন দশরথ। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর স্ত্রী-ই খুন করেছে তাঁর ছেলেকে। দশরথের অভিযোগের ভিত্তিতেই, তাঁর স্ত্রী-র বিরুদ্ধে খুনের মামলা রজু করেছে পুলিশ। তবে এই মুহূর্তে পলাতক অবস্থাতেই রয়েছেন ওই শিশুর মা। ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।

তবে এই ঘটনায় রীতিমতো হতভম্ব বুরাইল গ্রামের বাসিন্দারা। কী ভাবে একজন মা তাঁর সন্তানের সঙ্গে এই কাণ্ড ঘটাতে পারেন তা বুঝতে পারছেন না কেউই।

এই ঘটনার সঙ্গে মিল পাওয়া যাচ্ছে বেলাঘাটায় সদ্য ঘটে যাওয়া শিশু হত্যা কাণ্ডের। সেই ঘটনাতেও উঠে আসছে, নিজের শিশুকে সেলুটেপ দিয়ে নাক মুখ আটকে খুন করেছেন তাঁর মা। ইতিমধ্যেই সন্ধ্যা জৈন নামে ওই মহিলাকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ।