ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মেয়ের মৃত্যু অস্বাভাবিক৷ এমনই দাবি মায়ের৷ তাই মেয়ের সংরক্ষিত রক্তের সাথে তাঁর নিজের ডিএনএ পরীক্ষা করা হোক৷ এই আবেদন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি৷ সেই আবেদন মঞ্জুর হয়েছে৷ অবিলম্বে এই ইস্যুতে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

মামলার বয়ান অনুযায়ী ২৬শে জুলাই ২০১০ সালে হুগলির আরামবাগের যুবক সৌমিক সরকারের সাথে বিয়ে হয় মুনমুনের৷ পণ হিসেবে দিতে হয় ২০ ভরি সোনা এবং নগদ ১ লক্ষ টাকা৷ বিয়ের ৫ বছর কেটে গেলেও, তাঁদের কোন সন্তান ছিল না।

২০১৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে হঠাৎই মুনমুনের মোবাইল ফোনে কোন যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না বলে জানায় মুনমুনের পরিবার। এর ঠিক দুদিন বাদে ২২শে ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যে বেলায় মুনমুনের স্বামী সৌমিক সরকার মুনমুনের বাবা মা কে ফোন করে জানায় মুনমুন খুব অসুস্থ৷ তাঁকে নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছে।

মুনমুনের বাবা মা হাসপাতালে এসে দেখেন মেয়ের মুখ থেকে ফ্যানা বের হচ্ছে৷ যিনি মুনমুনের চিকিৎসা করছিলেন তিনি ছেলের পরিবারের ঘনিষ্ঠ। অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছে মুনমুনের এমনই জানায় ওই চিকিৎসকও৷

কিন্তু পুলিশের কাছে গেলে পুলিশ অভিযোগ নিতে চাইনি বলে জানা গিয়েছে। পরে আরামবাগ থানার পুলিশ অভিযোগ নেয়। কেমিক্যাল রিপোর্টে রক্তে বিষক্রিয়া মতো কিছু না পাওয়ায় অভিযুক্তরা নিম্ন আদালত থেকে জামিন পেয়ে যান।

কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দেখা যায় মুনমুনের লিভার, কিডনি, পাকস্থলীতে আঘাত ছিল। মাথায় রক্ত জমাট বেঁধে গিয়েছিল। মেয়ের মৃত্যুর সঠিক তদন্ত চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মা। শুক্রবার মামলার শুনানি চলাকালীন মামলাকারীর আইনজীবী কাকলী সমাজপতি এবং আইনজীবী সুবীর হাজরা আদালতে জানান মুনমুনের রক্ত সংরক্ষিত রয়েছে ফরেনসিক ল্যাবে।

যেটা পরীক্ষা করে বলা হয়েছিল মুনমুনের রক্তে কোন বিষক্রিয়া পাওয়া যায়নি সেটা মুনমুনের রক্ত নয় বলে দজাবি করেন তাঁর মা৷ এরপরেই ডিএনএ পরীক্ষার দাবি জানান তিনি৷

এদিন সরকারি কৌঁসুলি অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন বারবার ফরেনসিক ল্যাবকে চিঠি দিয়ে জানানো সত্ত্বেও, কোনও কাজ হয়নি৷ এদিন বিচারপতি রাজা শেখর মন্থা নির্দেশ দেন অবিলম্বে ডিএনএ পরীক্ষা করার জন্য একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা এবং কবে এই পরীক্ষা করা হবে তা আগামী ৩১ শে জুলাইয়ের মধ্যে জানাতে হবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।