বোলপুর: সপ্তদশ লোকসভা ভোটের মুখে বড় ধাক্কা খেলেন বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। যদিও বিষয়টি একেবারেই তাঁর ব্যক্তিগত। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও মিল নেই। শনিবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন অনুব্রত মন্ডলের মা পুষ্পরানী মণ্ডল। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। এদিন সকালে নিজের বাড়িতেই তিনি মৃত্যু বরণ করেন।

বাংলার শাসকদল তথা বঙ্গ রাজনীতির অন্যতম জনপ্রিয় এবং আলোচিত ব্যক্তি হলেন অনুব্রত মণ্ডল। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় থেকে তিনি শিরোনামে আসতে শুরু করেন। সেই সময়ে পুলিশের উপরে বোম মারার হুমকি দিয়েছিলেন তিনি। এরপরে বিভিন্ন সময়ে তাঁর মুখে শোনা গিয়েছে বহু বিতর্কিত মন্তব্য। কিছু দিন আগে নির্বাচন কমিশনের রোষের মুখেও তাঁকে পরতে হয়েছিল।

সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের সকল আসনে জয়লাভ করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে তৃণমূল। রাজ্যের ৪২ টি আসনেই তৃণমূল প্রার্থী জিতবেই বলে দাবি করছেন অনুব্রত মণ্ডল। সরকারিভাবে তৃণমূলের এই ৪২ আসন দখলের পরিকল্পনা ঘোষণার আগে বীরভূমের জেলা সভাপতির মুখে এই কথা শোনা গিয়েছিল।

তারাপীঠে পুজো দিয়ে রাজ্যের সকল আসনে তৃণমূল প্রার্থীদের জয়ের বিষয়ে মা কালীর আশীর্বাদ পেয়েছিলেন বলে দাবি করেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। রাজ্যের কতগুলি আসন তৃণমূল দখল করতে পারবে সেটা স্পষ্ট হবে আগামী মাসের ২৩ তারিখে। তবে তারাপীঠের মায়ের উপরে বড় ভরসা করে ছিলেন দিদির প্রিয় ভাই কেষ্ট। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফা ভোটের পরেই জন্মদাত্রী মাকে হারালেন অনুব্রতবাবু।