ভোপাল: মধ্যপ্রদেশ থেকে ফের এক নক্ক্যারজনক ঘটনা। টাকার লোভে নিজের নাবালিকা মেয়েকে তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসাল মা। মধ্যপ্রদেশের মন্ডলা জেলা থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে।

গোটা ঘটনা হয় অত্যন্ত চুপিসারে। কিন্তু দিল্লিতে স্বামীর মারধরে ও অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ওই নাবালিকা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করতেই গোটা ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসে। দিল্লি পুলিশ এই পুরো মামলার তথ্য মন্ডলা পুলিশকে দেয়। এরপরেই সেখানকার পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ দায়ের করে। গোটা ঘটনায় মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

জানা গিয়েছে, মধ্যপ্রদেশের ওই নাবালিকার মা চুপিসারে দিল্লির এক যুবকের সঙ্গে ওই নাবালিকার বিয়ে দিয়ে দেয়। কিন্তু এরপর স্বামীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে ১০০ ডায়াল করে দিল্লি পুলিশকে সবটা জানায় ওই নাবালিকা।

ঘটনার বিবরণ জেনে পুলিশ ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে ও মন্ডোলা পুলিশকে এই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ জানায়। পুলিশকে দেওয়া নির্যাতিতার তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্যাতিতা পুলিশকে জানায়, তাঁর মা ৮০ হাজার টাকা নিয়ে তাঁকে দিল্লিতে বিয়ে দিয়ে দিয়েছিলেন।

জানা গিয়েছে, নাবালিকার মা তাঁকে এর আগে আরও ২ বার বিয়ে দেয়। পুলিশ তদন্তে নেমে তাঁর মা, যারা এর আগে তাঁকে বিয়ে করেছে এমন দুই ব্যক্তিসহ মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করে। দিল্লিতে নাবালিকাকে বিয়ে করা অভিযুক্তসহ আরও দুই অভিযুক্তের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.