স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: জমি নিয়ে বিবাদ ছিল দীর্ঘদিনের৷ সেই থেকেই বচসা, ক্রমশ গড়াল হাতাহাতিতে৷ অবশেষে ছুরি দিয়ে মা ও মেয়েকে কোপানোর অভিযোগ উঠল স্থানীয় জমি মাফিয়া আবদুল মান্নানের বিরুদ্ধে৷

৫ কাঠা জমি নিয়ে বিবাদের জেরে এই ঘটনা বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷ এই ঘটনায় দুই মহিলা গুরুতর আহত হয়েছেন৷ তারা মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার পুখুরিয়া থানার সম্বলপুরের বালুঘাট গ্রামে। ৫ জনের নামে পুখুরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এখনো অধরা অভিযুক্তরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুখুরিয়া থানার বালুঘাট গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলামের পাঁচ কাঠা চাষের জমি রয়েছে। সেই জমি কেনার জন্য নজরুলকে কিছু অগ্রিম টাকা দেয় আবদুল মান্নান। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও পুরো টাকা সে দেয়নি। এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে সেই জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করতে শুরু করে আব্দুল মান্নান। ঘটনা দেখে বাধা দেন জমির মালিক নজরুল।

বাধা দেওয়ায় তাকে মারধর করে আবদুল মান্নান ও তার দলবল। অভিযোগ এরপর নজরুলের বাড়িতে ঢুকে তাঁর স্ত্রী আম্বরা বিবিকে এলোপাথারি ছুরির আঘাত করে৷ এতে তার কপালে ও বাম চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। এই ঘটনায় দেখে মাকে বাঁচাতে যায় আম্বরা বিবির মেয়ে৷

তাঁকেও ছুরি দিয়ে কোপায় ও শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। তাদের চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা ছুটে আসলে অভিযুক্ত জমি মাফিয়া ও তার দলবল পালিয়ে যায়। গ্রামবাসীরা তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় আড়াইডাঙা প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যায়। মা ও মেয়ের আঘাত গুরুতর থাকায় মালদা মেডিক্যালে স্থানান্তর করে।

ঘটনায় পুখুরিয়া থানায় শ্লীলতাহানি ও প্রাণনাশের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের হয়েছে আবদুল মান্নান সহ ৫ জনের নামে৷ অভিযুক্তরা পলাতক। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।