অপরাধী হিসেবে আইনের চোখে পুরুষ-মহিলা সবাই সমান। সারা বিশ্বে মহিলা অপরাধীর বড় বড় উদাহরণ রয়েছে। আর ভারতেও এই সংখ্যা নেহাত কম নয়। মহিলা অপরাধীর তালিকায় পাকিস্তানের থেকেও এগিয়ে আছে ভারত। ইন্টারপোলের রিপোর্টে উঠে এসেছে এমনই ভয়ঙ্কর তথ্য। কারা সেই মহিলা ‘ডন’? কারা রয়েছে বিশ্বের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায়। জেনে নিন সেরকমই কিছু নাম।

১. রেশমা মেমন ও শাবানা মেমন:

প্রথম টাইগার মেমনের স্ত্রী ও দ্বিতীয় জন শালী। ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’ অর্থাৎ মুম্বই বিস্ফোরণে এই দু’জনেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ঘটনার পরই এই দুই মহিলার মাথার দাম হিসেবে মোটা টাকা ঘোষণা করা হয়। ইন্টারপোলের তালিকায় নাম রয়েছে এদের। অভিযোগ, বর্তমানে করাচীতে রয়েছে এই দু’জন।

২. শোভা আইয়ার:

এক রহস্যময়ী গ্যাং কুইন শোভা আইয়ার। যাকে ধরার জন্য দীর্ঘদিন প্রচেষ্টা চালানো হলেও তা ব্যর্থ হয়েছে। তাকে ধরতা পারলেও পুরস্কার দেওয়া কথা ঘোষণা করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ‘রেড কর্নার’ নোটিশ রয়েছে। তবে তার সম্পর্কে প্রায় কোনও তথ্যই পাওয়া যায় না। সবার চোখের আড়ালে থেকেই আরও বেশি রহস্য বাড়িয়েছে এই গ্যাং কুইন।

৩. অর্চনা বালমুকুন্দ শর্মা:kidnap

অপহরণের রানী হিসেবে চিহ্নিত করা হয় অর্চনাকে। অগুনতি অপহরণ ও পাচারের ঘটনায় উঠে এসেছে তার নাম। বাবলু শ্রীবাস্তব গ্যাং-এর হয়ে কাজ করত সে। বর্তমানে তার সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য না থাকলেও তসে বিদেশ থেকে এখনও এই ধরনের ঘটনা পরিচালনা করছে বলে অনুমান করা হয়।

৪. সামাইরা জুমানি:

কুখ্যাত গ্যাংস্টার আবু সালেমের প্রাক্তন স্ত্রী সামাইরা। বিস্ফোরণ, প্রতারণ ও পাচারের মত ঘটনায় নাম জড়িয়েছে তার। দীর্ঘদিন ধরে ‘ওয়ান্টেড’ লিস্টে নাম রয়েছে তার। বর্তমানে সে আমেরিকায় পালিয়ে গিয়েছে বলে জানা যায়।

এই ধরনের আরও খবর পড়ুন: Top 15 Gangsters Of India


৫. অঞ্জলি মাকান
Anjali

ব্যাংক থেকে দেড় কোটি টাকা ডাকাতির ঘটনায় মাস্টারমাইন্ড ছিল অঞ্জলি। এখনও পর্যন্ত তাকে ধরা সম্ভব হয়নি। শুধুমাত্র এটাই নয় বহু জালিয়াতির ঘটনায় নাম রয়েছে অঞ্জলির। তার সম্পর্কেও প্রায় কোনও তথ্য পাওয়া যায় না বললেই চলে।

৬. বেলা আন্টি:

অবৈধ মদ পাচারের রানী ছিল এই বেলা আন্টি। ৭০- এর দশকে বহু অফিসারকে মোটা টাকা ঘুষ দিয়ে ট্রাক ভর্তি প্রচুর অবৈধ মদ নিয়ে এসে ব্ল্যাকে বিক্রি করত সে। এমনকী তৎকালীন বিখ্যাত গ্যাংস্টার ভরদা ভাই তার নিজের এলাকা ধারাভিতে মদ বিক্রি করা থেকেও ঠেকাতে পারেনি বেলাকে।

৭. রুবিনা সিরাজ সৈয়দRubina

‘হিরোইন’ হিসেবেও পরিচিত রুবিনা। জেলে থাকাকালীন ছোটা শাকিলকে খাবার, অস্ত্র ও টাকা দিত এই রুবিনাই। শোনা যায় নিজের দক্ষতায় অফিসারদের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করে কায়দা করে  অনেক গোপন জায়গায় ঢুকতে পারত রবিনা, যেখানে আর কেউ যেতে পারত না।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।