ঢাকা: বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ রীতিমতো উদ্বেগের। এই অবস্থায় লকডাউন চললেও তা উপেক্ষা করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। যে কোনওরকম জনসমাগম  প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে শেখ হাসিনার সরকার।

করোনা মহামারীর কারণে পবিত্র রমজানে দেশের মসজিদগুলিতে ইফতার ও সেহরির আয়োজনে
নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। ধর্ম মন্ত্রকের এই নির্দেশ পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আরও ১০টি নির্দেশ রয়েছে। জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয় ধর্ম মন্ত্রকের তরফে।নির্দেশ না মানলে স্থানীয় প্রশাসন পুলিশকে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেবে এও জানানো হয়েছে।

নির্দেশিকায় বলা হয়, সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনির নির্দেশ অবশ্যই পালন করতে হবে। মসজিদে ইফতার ও সেহরির আয়োজন করা যাবে না। এই নির্দেশিকায় আরও বলা হয়, করোনাভাইরাস মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে খতিব ও ইমামরা দোয়া করবেন।

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে যে লকডাউন চলছে তা ফের বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে শনাক্ত করোনাভাইরাসের ধরনগুলির মধ্যে এখন ৮১ শতাংশ দক্ষিণ আফ্রিকার ভ্যারিয়ান্ট। এই সংক্রমণ মারাত্মক। নভেল করোনাভাইরাসের বিভিন্ন ধরনের মধ্যে ইউকে ভ্যারিয়ান্ট, সাউথ আফ্রিকা ভ্যারিয়ান্ট ও ব্রাজিল ভ্যারিয়ান্টই সারা বিশ্বে ছড়িয়েছে সবচেয়ে বেশি। এই তিন ধরনের সংক্রমণের হার বেশি। এদের জিনগত পরিবর্তনও ঘটে বেশি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, প্রাণঘাতী করোনার সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। রোগীর চাপে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা তথৈবচ। অনেকে হাসপাতালে গিয়েও চিকিৎসা পাচ্ছেন না। কারণ করোনা আক্রান্তদের জন্য নির্ধারিত জেনারেল বেড ও আইসিইউ কোনও কিছুই ফাঁকা নেই। দ্রুত করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে হাসপাতালে রোগীদের জায়গা দেওয়া সম্ভব হবে না বলেও আশঙ্কা করেছেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ভাইরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. নুসরাত সুলতানা জানান, গত ৬ এপ্রিল এবং ৭ এপ্রিল ল্যাবে করোনার নমুনা শনাক্তের হার ছিল ২৭ এবং ২৬ শতাংশ। মার্চের শেষ দিকে একদিনে শনাক্তের সর্বোচ্চ হার ছিল ৩৯ শতাংশ। এপ্রিলের শুরু থেকে কয়েকদিন ধরে দিনে শনাক্তের হার ৩১ থেকে ৩২ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে।

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে খবর, কোভিড ১৯-এর ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যে দেশব্যাপী শুরু হয়েছে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন কার্যক্রম।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজধানী ঢাকা সহ সারা দেশের টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে এই কর্মসূচির শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে এই ডোজ পাবেন ৩১ হাজার ১৬০ জন। একই সঙ্গে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার কার্যক্রম চলবে বলে জানানো হয়। করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিতে প্রথম ডোজ নেওয়া ব্যক্তিদের এসএমএস করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।