চেন্নাই: দেশে আছড়ে পড়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। আক্রান্তের সঙ্গে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যু সংখ্যা। এরমধ্যে তামিলনাড়ুর(Tamil Nadu) ভয়ঙ্কর তথ্য সামনে এল। রিপোর্ট অনুযায়ী অল্প বয়স যাদের কো-মরবিডিটি নেই তারাই বেশি মারা যাচ্ছে করোনা আক্রান্ত হয়ে। ২০ থেকে ২৬ এপ্রিলের মধ্যে ৪৯৪ জন মারা গিয়েছে তামিলনাড়ুতে। তার মধ্যে প্রায় ২৪ জন ২৫ থেকে ৪০ বয়সের মধ্যে ছিল। গত বছরের জুলাইয়ে করোনায় মৃত্যু(Corona Death) সংখ্যা শীর্ষে ছিল। এটি তার থেকে ছয় গুণ বেশি।

এই মাসে, তামিলনাড়ুতে কোভিডে মারা যাওয়া যুবকদের সংখ্যা শীর্ষে। মাত্র ৫ থেকে ১১ মে এর মধ্যে সপ্তাহে ৭৯ জন মারা গিয়েছে যা এপ্রিলের থেকে ৩ গুণ বেশি। যারা মারা গিয়েছেন তাদের অনেকের বয়স ২৫বছর মত। আপোলো হাসপাতালের প্রবীণ চিকিৎসক জনিয়েছেন, কোভিড অল্প বয়স্ক গ্ৰুপকে প্রভাবিত করছে। তারা দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়ছে পাশাপাশি স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছে। এটি খুব উদ্বেগজনক।

অসমের এক ২২ বছর বয়সী ছাত্র দিপু প্রধান করোনার সঙ্গে কয়েকমাস লড়াই করে এখন সুস্থ। সে করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গে আক্রান্ত হয়েছিল। কয়েকদিন আগেই তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে উঠেছিল। অক্সিজেন লেভেল একেবারেই নেমে গিয়েছিল।হাসপাতালে তীব্র লড়াইয়ের পর জীবনযুদ্ধে জয়ী হয় সে। বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন যে, দেরিতে পরীক্ষা করার জন্যে ফল আরও মারাত্মক হয়ে উঠছে , অল্পবয়সীরা অনেকেই ভাবছে তাদের বোধ হয় করোনা আক্রমণ করতে পারবে না।

তামিলনাড়ুর স্বাস্থ্য সচিব ডাঃ জে রাধাকৃষ্ণান জানিয়েছেন, ‘দ্বিতীয় তরঙ্গের আগে, তরুণরা করোনা নিয়ে সতর্ক ছিল না। তাদের মধ্যে ধারণা তৈরী হয়েছিল তারা হয়ত করোনার মারণ থাবা থেকে বেঁচে যাবে। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গে শিশুরা পর্যন্ত আক্রান্ত হচ্ছে। তবে আমরা ৩০ হাজারের উপরে কেস দেখেছি যেখানে অল্প বয়সীরা আক্রান্ত হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ১৪৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যাও কমেছে। যদিও তা রয়েছে ৪ হাজারের গণ্ডিতেই। বৃহস্পতিবার যেখানে ৪ হাজার ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল সেখানে শুক্রবার ৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.