নয়াদিল্লি: যত বেশি আপনারা আমায় আক্রমণ করবেন, তত বেশি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আমি কাজ করে যাব৷ নিজের বিরুদ্ধে একাধিক তীক্ষ্ম বাক্যবাণের প্রেক্ষিতে এমনই মন্তব্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির৷

উল্লেখ্য এবছর মনোনয়ন পেশের সময় স্মৃতিকে স্বীকার করতে হয়, ১৯৯১ সালে মাধ্যমিক এবং ১৯৯৩ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি। স্মৃতি ইরানি ঘোষণা করেছেন তিনি ব্যাচেলর অফ কমার্স শেষ করেননি।

এই নিয়েই প্রশ্ন তোলে কংগ্রেস৷ বলে বর্তমান বস্ত্রমন্ত্রী স্মৃতি ইরানির শিক্ষাগত যোগ্যতা বিতর্কের বিষয়। সেই কটাক্ষের উত্তরে স্মৃতি ইরানি বলেন “গত পাঁচ বছরে কংগ্রেসের একের পর এক অপমানকর ও অবমাননাকর মন্তব্যের শিকার হতে হয়েছে তাঁকে৷ তাঁর শুধু একটাই কথা রয়েছে, যত বেশি তাঁরা আমায় আক্রমণ করবেন, তত বেশি আমি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে প্রচার করে যাব৷ আমেঠিতে আমার জয় কংগ্রেস আটকাতে পারবে না৷ ”

এবছর লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের আমেঠিতে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর বিপরীতে দাঁড়িয়েছেন স্মৃতি ইরানি৷ মনোনয়ন পেশের সময় তিনি জানান তিনি স্নাতক নন৷ তার পরেই শুরু হয় কংগ্রেসের আক্রমণ৷

আরও পড়ুন : গোর্খাদের ‘এসটি’ তকমা মেলা উচিত, অমিত শাহের কথায় সায় মমতার

এর আগে, কংগ্রেস মুখপাত্র প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী বলেন ,”একটি নতুন ধারাবাহিক আসছে, ‘কিউ কি মন্ত্রী ভি কভি গ্র্যাজুয়েট থি’”। শুক্রবার এই বলেই স্মৃতিকে উপহাসের মুখে ফেলে কংগ্রেস। শব্দের কারিকুরিতে বরাবর সিদ্ধ প্রিয়াঙ্কা এর আগেও নমো টিভির প্রসঙ্গে বলেছিলেন, “মোদীর শুধুই টেলিভিশন আছে, কোনও ভিশন নেই।” মোদীর পর এবার প্রিয়াঙ্কার বাক্যবাণের ফলায় বস্ত্রমন্ত্রী।

তবে রাজনৈতিক মহলের মত শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে নিজেকেই নিজে বরাবর প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। বৃহস্পতিবার সমস্ত রাখঢাক ভেঙে নির্বাচন কমিশনের কাছে স্মৃতি স্বীকার করলেন শিক্ষাগত যোগ্যতায় স্নাতক ডিগ্রিটুকুও নেই তাঁর।

২০০৪ সালে প্রথম নির্বাচনে লড়তে ভোটের ময়দানে নামেন তিনি। দিল্লির চাঁদনী চক কেন্দ্র থেকে কপিল সিব্বলের বিরুদ্ধে দাঁড়ান। তখন নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে স্মৃতি তুলে ধরেছিলেন কলা বিভাগে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাশ করেছেন তিনি।