গ্যাব্রোন: করোনা আবহের মধ্যেই তিনশোরও বেশী হাতির রহস্য জনক মৃত্যু। এক সঙ্গে এত সংখ্যক বন্যপ্রাণের মর্মান্তিক এই মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে সরকারের। তবে স্বস্তির খবর হল যে,চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ভারত নয়, ঘটেছে সুদূর দক্ষিণ আফ্রিকায়।

বুধবার একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যাঞ্চলীয় দেশ বোটস্বানায় একসঙ্গে প্রায় ৩৫০টি বন্যহাতি মারা গিয়েছে। তবে একসঙ্গে কি করে এত সংখ্যক হাতি মারা গেল তা নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন সে দেশের সরকার। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্তে নেমেছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। ইতিমধ্যে ব্যাপারটি খতিয়ে দেখছে বিভিন্ন প্রাণী বিশেষজ্ঞরাও। কেন এমন ঘটনা? সুর চড়াচ্ছেন পশুপ্রেমীরা।

এই বিষয়ে বোটস্বানার ডেলটা অঞ্চলের স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন ওই সংবাদমাধ্যমকে। তাঁরা জানিয়েছেন, গত মে মাসের মধ্যবর্তী সময়ে কোনও এক অজানা কারণে সেখানকার ১৬৯ টি হাতি মারা যায়। এই ঘটনার এক মাসের মধ্যে ওই অঞ্চলের ৭০ শতাংশ হাতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সব মিলিয়ে গত দুই মাসে ডেল্টা অঞ্চলে প্রায় ৩৫০ টি হাতি অজ্ঞাত কারণে মারা গিয়েছে।

আর এই হাতি মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা গিয়েছে, সবকটি হাতিই মারা গিয়েছে বন থেকে কিছু দূরে অবস্থিত স্থানীয় একটি জলাশয়ের কাছে।

ফলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে ওই জলাশয়ের জলে কোনও রাসায়নিক পদার্থ বা বিষক্রিয়ার ফলে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে বলে খবর।

তবে একসঙ্গে ৩৫০ হাতির রহস্যময় মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। যদিও গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।