কলকাতা: প্রথম দিনের রাজ্যজুড়ে ব্যাপক সাড়া পেল ‘দিদিকে বলো’ ৷ সোমবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এমন উদ্যোগের কথা জানিয়েছিলেন৷ দেখা গিয়েছে তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এক লক্ষেরও বেশি জনগণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পৌঁছতে ফোন করেছেন। তাঁরা তাদের প্রিয় নেত্রীর কাছে পৌছতে টোল ফ্রি নম্বর ছাড়াও www.didikebolo.com ওয়েবসাইটে মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছেন৷ দেখা গিয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় সেভাবে ওয়েহসাইটে লগ-ইন করে রেজিস্ট্রেশন করা মানুষের সংখ্যাটাও ৫০ হাজারেরও বেশি। যদিও টোল ফ্রি এই নম্বরে বার বার ফোন করেও যোগযোগ করতে পারেননি বলেই হতাশ হওয়া মানুষের সংখ্যাটাও নেহাত কম নয় ৷

জনসাধারণের সঙ্গে জনসংযোগ বাড়াতে চাইছেন তৃণমূল সুপ্রীমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তাই সোমবার নজরুল মঞ্চে এই বিশেষ উদ্যোগ ‘দিদিকে বলো’-র সূচনা করেছিলেন তিনি। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ আরও বাডা়তেই এমন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। কারও যদি তাঁকে জানানোর জন্য কোনও বার্তা থাকে, তবে টেলিফোন করে অথবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। মানুষের সমস্যা জানতে এবং তা বিহিত করতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে৷

দিদিকে আরও বেশি করে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে৷ এমন উদ্যোগের মাধ্যমে টোল ফ্রি নম্বরটিতে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সাধারণ মানুষ তাদের সমস্যা ও মতামত দিদির কাছে জানাতে পারবেন।এই কাজের জন্য প্রশান্তের সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটিই (আই-পাক) পেশাদার লোকজন নিয়োগ করা হয়েছে৷ প্রায় আড়াই শো জন ২৪ ঘন্টা ধরে এই বিষয়টি দেখভাল করছে ৷

এদিকে সোশ্যাল মিডিয়াতেও আনা হয়েছে ‘দিদিকে বলো’ ফলে সেই ফেসবুক পেজেও ব্যাপক সাড়া মিলেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সেই পেজ-এ লাইক পড়ে গিয়েছে ৪৩,৩০৯ জনের এবং ফলোয়ারের সংখ্যা ৪৩,৭৯৪ জন। তাছাড়া এভাবে ফোন আসায় উৎসাহ পেয়ে গিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব ৷ ফলে বেশ কয়েকজন বড় বড় নেতা বুধবার তাদের নিজ নিজ এলাকায় সাংবাদিক বৈঠক করে এলাকার মানুষজনদের উৎসাহিত করবেন ‘দিদিকে বলো’তে যোগাযোগ করার জন্য ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.