নয়াদিল্লি : সুখোই ২০ এমকেআইয়ের থেকে সফল উৎক্ষেপণ ব্রহ্মস মিসাইলের। বঙ্গোপসাগরের বুক চিরে নিখুঁত লক্ষ্যভেদ করল ব্রহ্মস। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি ব্রহ্মস সুপার সনিক ক্রুজ মিসাইল। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার এর সফল উৎক্ষেপণ করা হল।

ডিআরডিওর হাতে তৈরি ব্রহ্মস বঙ্গোপসাগরের ওপর একটি জাহাজকে সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেয়। পঞ্জাবের এয়ারবেস থেকে যাত্রা শুরু করে সুখোই ৩০ এমকেআই।

মাঝ আকাশেই জ্বালানি ভরে নামে বঙ্গোপসাগরের বুকে। সরকারি সূত্র উদ্ধৃত করে এই খবর জানিয়েছে সংবাদসংস্থা এএনআই। দ্বিতীয়বারের উৎক্ষেপণে ব্রহ্মসের সর্বোচ্চ গতি ও রেঞ্জ পরীক্ষা করা হয়েছে বলে খবর।

ভারতীয় নৌসেনা ও সেনা বাহিনীকে সবরকম ভাবে সাহায্য করবে ব্রহ্মস মিসাইল। ৩০শে সেপ্টেম্বর সফল ভাবে উৎক্ষেপণ করা হয় সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল ব্রহ্মসের। এই মিসাইল ৪০০ কিমি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত ভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।

ডিআরডিও-র আওতায় পিজে-১০ প্রজেক্টের নিয়ন্ত্রণাধীন এই মিসাইলের দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করা হল। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি অতিরিক্ত বুস্টার প্রয়োগ করে এই মিসাইল তৈরি করা হয়েছে। এই মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণের ফলে ডিআরডিও-র হাতে এখন ৫০০ কিমি রেঞ্জের মিসাইল তৈরি রইল।

সম্প্রতি চিন সীমান্তে সবথেকে বেশি গতিসম্পন্ন এই মিসাইল মোতায়েন করা সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।

এর গতি হবে ৩০০০ কিলোমিটার/ ঘণ্টা। আর এতেই আতঙ্ক বেড়ে গিয়েছে চিনের।অন্ধ্রপ্রদেশের সীমান্তে এই মিসাইল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাখা হতে পারে কাশ্মীরেও। পাহাড়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা শত্রুদেরও সহজেই টার্গেট করা যায় এই মিসাইলের মাধ্যমে। নতুন ভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে ব্রহ্মস ।

কারণ এতে রামজেট ইঞ্জিন ও ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেমে পরিবর্তন আনা হয়েছে। রয়েছে সফটওয়ারে কিছু পরিবর্তন। উচ্চ তাপমাত্রায় সফল ভাবে কাজ করতে সক্ষম ব্রহ্মস ।

ভারতীয় সেনার চাহিদা অনুযায়ী এই মিসাইল তৈরি করেছে ডিআরডিও। ভারতে এখনও পর্যন্ত ব্রহ্মসের তিনটি রেজিমেন্ট প্রস্তুত। প্রতিটিতেই রয়েছে ব্লক-৩ ভার্সনের মিসাইল। এই মিসাইল যে কোনও গোপন স্থানে লুকিয়ে থাকা শত্রুর উপর আঘাত হানতে সক্ষম।

যদিও পরবর্তীকালে অত্যাধুনিক এবং শক্তিশালী এই মিসাইলের রেঞ্জ আরও বাড়ানো হয়েছে। মাটি, সমুদ্র কিংবা আকাশ যে কোনও জায়গা থেকেই এটি ছোঁড়া সম্ভব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।