নয়াদিল্লি: এবার বিজেপি ও বজরং দলকে কাঠগড়ায় তুললেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং৷ তাঁর মতে দেশের মুসলিম সম্প্রদায় নয়, পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তি করে বিজেপি ও বজরং দলের মত সংগঠনগুলোই৷ এজন্য নিয়মিত পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের কাছ থেকে মোটা অর্থ পায় তাঁরা৷

অথচ পাকিস্তানের হয়ে গলা ফাটানোর জন্য দেশের মুসলিমদেরই বেশি দোষারোপ করা হয় বলে এই কংগ্রেস নেতার দাবি৷ স্বাভাবিকভাবেই দিগ্বিজয় সিংয়ের এই মন্তব্য বিতর্কের ঝড় তুলেছে রাজনৈতিক মহলে৷ দিগ্বিজয় জানাচ্ছেন, এটা বোঝার সময় এসেছে যে ভারতের অমুসলিমরাই বেশি পাকিস্তানের হয়ে দেশের ভিতরে কাজ করে৷ এর মধ্যে বিজেপি ও বজরং দল রয়েছে৷ তাদের অঙ্গুলি হেলনেই এই চরের কাজ হয়৷

আরও পড়ুন : গলা ছেড়ে পাকিস্তানের নেতা গাইলেন, ‘সারে জাহা সে আচ্ছা, হিন্দুস্তান হামারা’

শুক্রবার মধ্যপ্রদেশে এক অনুষ্ঠানে দিগ্বিজয় সিং এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন৷ বিজেপি ও বজরং দলের পাকিস্তানপন্থী কার্যকলাপ নিয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি৷ এদিন দেশের ভেঙে পড়া অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিয়েও মুখ খোলেন এই কংগ্রেস নেতা৷ সম্প্রতি দেশের ১২টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ৪টি ব্যাংকে সংযুক্তিকরণের ঘোষণার তীব্র নিন্দা করেন তিনি৷

কেন্দ্রের মোদী সরকার দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার অচলাবস্থার জন্য দায়ী বলে মত তাঁর৷ কোনও কর্মসংস্থান নেই, দেশের যুব সম্প্রদায়ের কাছে কোনও দিশা নেই, অর্থনৈতিক ঘাটতি মেটানোর কোনও উদ্যোগ এই সরকারের নেই বলেও মন্তব্য করেন দিগ্বিজয়৷

আরও পড়ুন : এনআরসিতে বাদ পড়াদের কি রোহিঙ্গাদের মতো কেটে ফেলা হবে, প্রশ্ন ফিরহাদের

তবে এখানেই থেমে থাকেননি এই বর্ষীয়ান নেতা৷ তিনি বলেন দেশের উত্তর পূর্ব প্রান্তের মানুষ গোমাংস খান৷ গোরক্ষার নামে তাই ব্যবসা ফেঁদে বসেছে আরএসএস ও বজরং দল৷ দিগ্বিজয়ের এই সব মন্তব্যের পালটা দিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা শিবরাজ সিং চৌহান৷

শিবরাজ জানান, খবরের শিরোনামে থাকার জন্যই দিগ্বিজয় এই সব মন্তব্য করেন৷ তাঁর মতে শুধু দিগ্বিজয় নন, সব কংগ্রেস নেতাই পাকিস্তানের সুরে কথা বলেন৷ ওঁদের কাছে পাকিস্তানের অন্দরের খবর থাকে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.