প্রতীকী ছবি

কলকাতা: গোটা দেশের পাশাপাশি বাংলাতেও লাফিয়ে বাড়ছে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। আনলক ১ শুরু হতেই ঘর ছেড়ে বাইরে সাধারমণ মানুষ। খুলেছে দোকান-বাজার, অফিস-আদালত। রাস্তায় নেমেছে গাড়ি।

লকডাউনের আগের চেনা ছবিটা ফিরতেই করোনার সংক্রমণ হু হু করে বাড়ছে রাজ্যে। কলকাতায় করোনার সংক্রমণ রাজ্যের মধ্যে সর্বাধিক। পরিস্থিতির ভয়াবহতা আঁচ করেই তাই মহানগরীতে কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়েছে।

কলকাতা পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে কলকাতায় ১১০৯টি এলাকা কন্টেনমেন্ট জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মাত্র ১০ দিনের মধ্যে ৩৫১ থেকে বেড়ে কলকাতার কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা এখন ১১০৯।

করোনার সংক্রমণ যে এলাকাগুলি থেকে আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেখানেই কন্টেনমেন্ট জোন গড়ে স্থানীয়দের সতর্ক করছে প্রশাসন।

শহর কলকাতার পাশাপাশি করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় গোটা রাজ্যেই গত কয়েকদিনে কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা বহুলাংশে বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে গোটা রাজ্যে ১৮০৯টি কন্টেনমেন্ট জোন রয়েছে।

পুরুলিয়ায় ৮৮টি কন্টেনমেন্ট জোন রয়েছে। বাঁকুড়াতেও একই সংখ্যক কন্টেনমেবন্ট জোন করা হয়েছে। এছাড়াও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ায় পূর্ব বর্ধমানে ১০৩, উত্তর ২৪ পরগনায় ২১৯, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৬১টি কন্টেনমেন্ট জোন রয়েছে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার থেকেই ভেন্টিলেশনে থাকা সঙ্কটজনক করোনা রোগীর শরীরে প্লাজমা ট্রায়াল শুরু হয়েছে কলকাতায়। এই পরীক্ষা সফল হলে করোনা চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত খুলে দেবে এই শহর।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।