file image

কলকাতা: ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে রাস্তা থেকে বাস তুলে নিচ্ছিল একটি বেসরকারি সংগঠন৷ বাড়ছিল যাত্রী দুর্ভোগ৷ এরপরই মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারির দিয়ে বলেছিলেন, বেসরকারি সংগঠন বাস না চালালে, ওই বাস তুলে এনে সরকার চালাবে৷

সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পর কিছুটা সুর নরম করল জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেট। সম্প্রতি বৈঠকে বসেছিল নেতৃত্ব। সেখানেই সিদ্ধান্ত, আগামী সোমবার থেকে রাস্তায় কিছু বাস নামাবে ওই সংগঠন।তলে বাস চালানোর দায়িত্ব নিজেদের ঘাড়ে রাখছেন না নেতারা। ঘুরিয়ে মালিকদেরই বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নিতে বলছে সংগঠন৷

যদিও জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেট ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে এখনও অনড়৷ সোমবার আরও বেশি বেসরকারি বাস রাস্তায় নামলে যাত্রী ভোগান্তি অনেকটাই কমবে৷

এর আগে পরিবহণ দফতরের কাছে বাস মালিকরা সাত দফা দাবি রাখেন

১. সরকার অধিগ্রহণ করে আপাতত বাস চালাক। ১৫ হাজারের প্যাকেজ লাগবে না। তার বদলে বাসে জ্বালানি ভরে দিক সরকার। নিজেদের কর্মীর মাধ্যমে পরিষেবা দেবেন বাস মালিকরা।

২. নতুন অধিগ্রহণ ব্যাবস্থায় সরকার সাপ্তাহিক ভিত্তিতে বাস মালিকের অ্যাকাউন্টে টাকা দিক।

৩. যদি অধিগ্রহণ না করা হয় তাহলে ন্যূনতম ভাড়া বাড়ুক। কমপক্ষে ১০, ১৫ ও ২০ টাকা ভাড়া করা হোক (অন্তত যতদিন কোভিড পরিস্থিতি বহাল থাকবে)।

৪. জ্বালানিতে রাজ্য সরকারের সেস প্রত্যাহার করা হোক। কেন্দ্রীয় সেস প্রত্যাহারের জন্য কেন্দ্রকেও অনুরোধ জানান।

৫. সরকার প্যাকেজ দেওয়ার জন্য ২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল। সেই টাকা দিয়ে ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের সময় বিভিন্ন সংগঠনের কাছ থেকে যে বাস অধিগ্রহণ করা হয়েছিল, সেই বাবদ মোট ১২ কোটি ৮১ লাখ টাকা অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়া হোক।

৬. লকডাউন এবং আনলক ওয়ানে পুলিশের কেস দেওয়া বন্ধ ছিল। এটা কমপক্ষে পুজো পর্যন্ত বাড়ানো হোক।

৭. অনেক বাসচালক ও কনডাক্টর জেলা থেকে আসেন। তাঁরা আসতে পারছেন না। বাসকে জরুরি পরিষেবা তকমা দিয়ে এদের লোকাল ট্রেন বা মেট্রোয় আসার ছাড়পত্র দেওয়া হোক।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ