স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নারদকাণ্ডে তৃণমূলের তিন হেভিওয়েট নেতা ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও মদন মিত্রের জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত৷ ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁদের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছে সিবিআই-এর বিশেষ আদালত। খারিজ হয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আবেদন। আদালতের এই রায়ে উচ্ছ্বসিত ঘাসফুল শিবির৷ তৃণমূল সাংসদ তথা মুখপাত্র সৌগত রায় বললেন, এটা আমাদের নৈতিক জয়৷

আরও পড়ুন: গ্রেফতারি প্রসঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নিয়ে সুর চড়ালেন অধীর

সোমবার সকালে নারদকাণ্ডে জেরে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে সিবিআই। বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। আদালতে ফিরহাদ, সুব্রত, মদনদের জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নারদ-কাণ্ডে বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায়কে কেন গ্রেফতার করা হল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। একইসঙ্গে ধৃতদের জামিনের আবেদন জানান।

আরও পড়ুন: যোগী আদিত্যনাথকে নিয়ে Fake Video পোস্ট অভিনেত্রীর, কড়া দাওয়াই পুলিশের

বিরোধিতা করে সিবিআই পক্ষের আইনজীবী ধৃতদের জেল হেফাজতে রাখার আর্জি জানায়। তাদের যুক্তি, ধৃতরা বাইরে বেরিয়ে প্রমাণ নষ্ট করে দিতে পারেন। ধৃতদের আইনজীবীরা পাল্টা যুক্তি দেখান, ফিরহাদ কলকাতা পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান। সাম্প্রতিক কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তাঁকে প্রয়োজন। সুব্রত মুখোপাধ্যায় প্রোটেম স্পিকার ছিলেন, সেকথাও আদালতে জানানো হয়। পাশাপাশি প্রত্যেকেরই বয়স ৫০-৬০-র কাছাকাছি, জেল হেফাজতে থাকলে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কার করাও মনে করিয়ে দেন তিনি।

চার্জশিট যেহেতু পেশ হয়েছে তাই জেল হেফাজতে তাদের থাকার প্রয়োজন নয় বলেই পর্যবেক্ষণ জানায় ব্যাঙ্কশাল আদালত। সেইসঙ্গে সিবিআই আইনজীবীদের তোলা প্রভাবশালী তত্ত্ব খারিজ করে দেয় আদালত৷ আদালতের রায়ের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, ‘‘আমরা সকালেই বলেছিলাম, আইনের উপর আমাদের ভরসা আছে৷ আমাদের নৈতিক জয় হল৷ ন্যায় বিচার হল। আমরা খুবই আনন্দিত।’’
এদিকে, নেতাদের জামিনের খবর পেয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরাও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.