নয়াদিল্লি: আশার নয়া বাণী ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর মুখে। ব্যর্থ হয়নি চন্দ্রায়ন ২। ৫ শতাংশ দূরে গিয়েই থেমেছে ১৩০ কোটির স্বপ্ন। তবে কেউই একে ব্যর্থ বা অসফল প্রজেক্ট বলছেন না। রবিবার নতুন করে চন্দ্রায়ন ২ নিয়ে আশায় বুক বেঁধেছে ভারত। জানা গিয়েছে, খুঁজে পাওয়া গিয়েছে বিক্রমকে। তবে যোগাযোগ এখনও স্থাপিত হয়নি।

এদিকে, থেমে থাকতে চাইছে না ভারত। এবার লক্ষ্য চন্দ্রায়ন ৩। ইসরোর ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন পেজ জানাচ্ছে, ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে কথা হয়েছে জাপান এয়ারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির সঙ্গে। চাঁদের মেরু নিয়ে গবেষণা চালাতে সমান ভাবে আগ্রহী জাপানও। এবার ভারত জাপান একজোট বেঁধে তাই লক্ষ্য চন্দ্রায়ন ৩য়ের।

জয়েন্ট স্যাটেলাইট মিশনের লক্ষ্যে কিছু প্রাথমিক কাজও শুরু হয়েছে বলে খবর। জাপান এয়ারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির সাম্প্রতিক মিশন হায়াবুসা ২ সাফল্যের সঙ্গে একটি গ্রহাণুতে ল্যাণ্ড করেছে। এই সফট ল্যাণ্ডি নিয়েই মূলত কাজ করতে চাইছে ইসরো। প্রযুক্তিগত ভাবে জাপানের মহাকাশবিজ্ঞানীরা ইসরোকে সহায়তা করবেন বলে খবর।

২০২৪ সালে এই তৃতীয় চন্দ্রায়ন প্রকল্প শুরু করতে চাইছে ইসরো। কারণ এর মাঝে কাজ চলছে গগনযান প্রজেক্টের। ইসরো ও জাপান এয়ারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির সহায়তায় এই প্রজেক্টের দিকে তাকিয়ে পূর্ণাঙ্গ সফলতা খুঁজছে ভারত। উল্লেখ্য, চন্দ্রায়ন ২ প্রজেক্টে রাশিয়ার সহায়তা নেওয়ার কথা ছিল ভারতের। তবে শেষ মুহূর্তে চুক্তি সফল হয়নি। চন্দ্রায়ন ২ প্রজেক্ট নিয়ে একাই এগোয় ভারতের ইসরো।

এদিকে রবিবারই ইসরোর চেয়ারমান কে শিবন জানিয়েছেন, ক্যামেরাতে ইতিমধ্যে বিক্রমের ছবি ধরা পড়েছে। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত যাতে সেটির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়। দেশের বিজ্ঞানীদের মতে, একটা বড় চিন্তা ছিল যে চাঁদের মাটিতে সফট ল্যান্ডিংয়ের সময় বিক্রম ঠিক রয়েছে কিনা। সেটা ভেঙে যে যায়নি তা পরিস্কার। ফলে সেটা থেকে সঙ্কেত পাওয়াটা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন তাঁরা।

কে শিবন জানান, ল্যান্ডার বিক্রমের একটি থার্মাল ইমেজ ধরা পড়েছে অরবিটারে। অরবিটারটি চাঁদের চারপাশে কক্ষপথে ঘুরছে। তাতেই ধরা পড়েছে ছবি। তিনি জানিয়েছেন, যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছেল খুব তাড়াতাড়ি যোগাযোগ করা সম্ভব হবে।