নয়াদিল্লি: স্বস্তির খবর দেশে৷ আগামী ৬ই জুন কেরলে ঢুকছে বর্ষা৷ তবে স্বাভাবিকের থেকে ৫দিন দেরীতে এবার দেশে বর্ষা ঢুকছে৷ এমনই জানিয়েছে মৌসম ভবন৷

এই বছর আগেই জানানো হয়েছিল পূর্ব নির্ধারিত সময়ের পাঁচদিন পরেই কেরলে বর্ষা ঢুকবে৷ দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর ঢোকার সময় পিছনোর কারণেই এই দেরি বলে জানাচ্ছে মৌসম ভবন৷ তবে ৬ই জুন বর্ষা আসছে, যদিও ৩-৪দিনের দেরি হওয়ার সম্ভাবনাও থাকছে৷

এক বিবৃতিতে মৌসম ভবন জানিয়েছে, সাধারণত পয়লা জুন কেরলে বর্ষা প্রবেশ করে৷ তারপরেই দেশে চার মাস ধরে বৃষ্টি চলে৷ ১৮-১৯ মে থেকেই ভারত সাগর, আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বয়ে যাওয়ার অনুকূল পরিবেশ তৈরি হতে চলেছে৷

এদিকে, মঙ্গলবার স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজেছে রাজধানী দিল্লি৷ তবে বেসরকারি সংস্থা স্কাইমেট জানাচ্ছে, স্বাভাবিকের চেয়ে এবছর বৃষ্টিপাত হবে কম৷ ২২ মে বর্ষা আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রবেশ করবে৷ সেখান থেকে কেরলের দিকে ধেয়ে যাবে মৌসুমী বায়ু৷ সময়ের আগে দক্ষিণী রাজ্যে প্রবেশ করলেও তারপর থেকে গতি মন্থর হয়ে যাবে বর্ষার৷ পূর্বাভাস অনুযায়ী ২৯ জুন বর্ষা পৌঁছবে রাজধানী৷ সেই কারণে যতটা বর্ষণের আশা করা গিয়েছিল ততটা বর্ষণ নাও হতে পারে৷ স্কাইমেট জানিয়েছে, এবছর স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হবে দেশে৷

যদিও এর আগের পূর্বাভাসে স্কাইমেট জানিয়েছিল যে গোটা দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হবে৷ তবে সেই পূর্বাভাস খারিজ করে দিচ্ছে নয়া পূর্বাভাস৷ তবে নতুন পূর্বাভাস দেশের কৃষিব্যবস্থার জন্য মোটেও সুখদায়ক নয়৷ কারণ চাষবাসের ৭০ শতাংশ বার্ষিক বৃষ্টিপাতের উপর নির্ভর করে৷ সুতরাং কম বৃষ্টি বা অতিবৃষ্টির সরাসরি প্রভাব পড়ে কৃষিক্ষেত্রে৷

সাধারণত দেখা যায় দেশের কোনও একটি প্রান্তে অতিবৃষ্টি বেশি হলে অপরপ্রান্তে বর্ষার ঘাটতি দেখা যায়৷ তবে স্কাইমেটের পূর্বাভাস সেদিকেও আশাহত করেছে৷ স্কাইমেট জানিয়েছে, পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ সব প্রান্তেই স্বাভাবিকের থেকে কম বৃষ্টিপাত হবে৷ দেশের পূর্ব, উত্তর পূর্ব ও মধ্য ভারতে বরুণদেব অত সদয় হবেন না৷ দেশের বাকি প্রান্তের তুলনায় সেখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ খুবই কম৷