স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : যেমন পূর্বাভাস (forecast) ছিল , তেমনটাই হল। নিম্নচাপের (low pressure area) হাত ধরেই দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু (south westerly monsoon) প্রবেশ করল দক্ষিণবঙ্গে (south bengal)। এমনটাই জানিয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের চারটি জেলায় প্রবেশ করেছে বর্ষা।

উত্তরবঙ্গের মালদহ দুই দিনাজপুরের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের কৃষ্ণনগর ও ক্যানিং, উত্তর ২৪ পরগণার একটু অংশে ও দক্ষিণ ২৪ পরগণার তলার দিকে অংশে এসেছে বর্ষা। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘নিম্নচাপের হাত ধরে দক্ষিণের চার জেলাকে ছুঁয়েছে বর্ষা। আগামী দুই দিনে আমরা আশা করছি পুরো বাংলাকে বর্ষা কভার করে নেবে’।

এদিকে পরিবেশ বিশেষজ্ঞ সুজীব কর বলছেন, ‘আবহাওয়া দফতর বলছে মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করেছে রাজ্যে। সেটা ঠিক কিন্তু এই যে বৃষ্টি এখন হচ্ছে সেটা সিস্টেম কেটে গেলেই সঙ্গে সঙ্গে থেমে যাবে। কারণ মৌসুমী বায়ু যাচ্ছিল বাংলাদেশ মায়ানমারের দিকে। সিস্টেম সেটিকে টেনে এনে বৃষ্টি করিয়ে দিচ্ছে। ঠিকঠাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু হবে তিন জুনের পর’। হাওয়া অফিস এও জানাচ্ছেওডিশার পুরীতেও দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করেছে।

আরো পড়ুন- ধস নামল টুইটারে, ৮০ হাজার কমল ফলোয়ার্স সংখ্যা

দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর জেরে হালকা থেকে মাঝারি, কোথাও ভারী বৃষ্টিও হচ্ছে। এমন ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে মঙ্গলবার পর্যন্ত। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম, পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। রবিবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমানে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

মৌসম ভবন জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম, মধ্য ভারত ও দক্ষিণ ভারতে স্বাভাবিকের চেয়েও বেশি বৃষ্টিপাত হবে। পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতে চলতি বছরের জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে স্বাভাবিকের থেকে কম হবে বৃষ্টি।

মঙ্গলবার মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, দীর্ঘকালীন গড় অনুযায়ী ১০১ শতাংশ বৃষ্টি হবে সারা দেশে। অর্থাৎ যা স্বাভাবিকের থেকে বেশি। ১৯৮১ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘকালীন গড় ৯৬ থেকে ১০৪ শতাংশ। গড় বৃষ্টিপাত ৮৮০ মিলিমিটার। তা সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা আছে ৪০ শতাংশ। সময় অন্তর আপডেট দেবে আবহাওয়া দফতর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.