নয়াদিল্লি : বৈশাখের শুরুতেই সুখবর দিয়েছে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, গত দুই বছরের মতো এবারেও স্বাভাবিক থাকবে বর্ষার সময়ে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ। এমনই পূর্বাভাস দিচ্ছে দিল্লির মৌসম ভবন। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন , চলতি বছরে স্বাভাবিকের ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। তাই কৃষি ক্ষেত্রেও এর ভালো প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন আবহাওয়বিদরা।

বৃষ্টিপাতের উপর নির্ভর করে থাকে ভারতের কৃষি। গত দু’বছর ধরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ স্বাভাবিক ছিল, তাই পেট্রোপন্যের দাম বেড়েছে , লকডাউন গিয়েছে, ঝড় ঝাপটা অনেক কিছুই হয়েছে তবে দাম ব্যাপক হারে কিছু বৃদ্ধি পায়নি। মাঝে মাঝে কয়েকটি সবজির দাম আলাদাভাবে বেড়েছে। সার্বিক দিক থেকে সবজির দাম ঠিকঠাক জায়গায় এখনও পর্যন্ত রয়েছে। সৌজন্যে স্বাভাবিক বৃষ্টি।

পশ্চিমবঙ্গে তা আরও ভালোভাবে বোঝা যাচ্ছে, কারণ শীত থেকে গ্রীষ্ম সবজির দাম মোটের উপর ঠিকঠাক রয়েছে। সেই ধারা বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা জানিয়ে দিয়েছেন , ভারতে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে ৪০ শতাংশ, স্বাভাবিকের থেকে বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে ২১ শতাংশ। সেই হিসাবেই বৃষ্টির দীর্ঘকালীন গড়ে দেখা গিয়েছে স্বাভাবিকের ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে এই মরসুমে।

এরপর মে মাসের শেষের দিকে বর্ষাকাল সংক্রান্ত আরও বিষদে বার্তা দেবে মৌসম ভবন। ওই সময়ে জুন মাসের বৃষ্টিপাত কতটা হতে পারে এবং পরের মাসগুলিতে কেমন থাকবে বর্ষার হালহকিকত তা জানিয়ে দেওয়া হবে। বেসরকারি তথ্যও স্বস্তি দিচ্ছে। জানানো হচ্ছে যে, মৌসুমি বায়ুও সঠিক সময়েই দেশে প্রবেশ করবে। জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের গড় পরিমাণ ১০৩ শতাংশ হতে পারে। ২০২০ ও ২০১৯ সালেও এই পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ছিল। ওই দুই বছরে গোটা দেশে যথাক্রমে ১১০ শতাংশ ও ১০৯ শতাংশ বৃষ্টি হয়েছে বলে আগেই তথ্য দিয়েছে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর। তারই পুনরাবৃত্তির সম্ভাবনা রয়েছে আগামী দিনে।

তবে উত্তরের ও উত্তর-পূর্বের কয়েকটি অংশে বর্ষার মরসুমে কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে দেখা দিতে পারে ঘাটতি। কর্ণাটকের কিছু স্থানেও ভরা বর্ষার অর্থাৎ জুলাই , আগস্ট মাসে কম বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর কারণ কী? আবহাওয়াবিদরা এর জন্য লা নিনাকে পরিস্থিতিকে দায়ী করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.