নয়াদিল্লি: নির্ধারিত সময়ের দু’সপ্তাহ আগেই দেশের সর্বত্র ঢুকে পড়েছে বর্ষা, এমনটাই জানাচ্ছে ইন্ডিয়া মিটিরিওলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট। রাজস্থান, হরিয়ানা এবং পঞ্জাবে বৃষ্টিতে তা আরও কিছুটা স্পষ্ট হয়েছে। ঝোড়ো হাওয়া এবং দিল্লির বিভিন্ন অংশে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে।

জুনের ১ তারিখ কেরলে বর্ষা ঢুকেছে এবঙ্গ দেশের অন্যপ্রান্তের রাজস্থানে পৌঁছতে তা ৪৫ দিন সময় নেয়। আইএমডি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, “দক্ষিন-পশ্চিমে বর্ষা আরও জোরালো হয়েছে, রাজস্থান, হরিয়ানা এবং পঞ্জাবে বৃষ্টির ফলে দেশের সর্বত্র তা ছেয়ে গিয়েছে”।

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জন্য নির্ধারিত সময়ের বেশকিছুটা আগেই বর্ষা পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিমে গিয়েছে এবং অন্য একটি ঘূর্ণাবর্ত মধ্য ভারতে রয়েছে। এই দুটি পরিস্থিতি বর্ষার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করেছে, এমনটাই জানিয়েছে মৌসম ভবন।

দিল্লিতেও সময়ের দু’দিন আগে বর্ষা প্রবেশ করেছে তবে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে না বলেই জানানো হয়েছে। শুধু দিল্লি নয় হরিয়ানা, চণ্ডীগড়েও আগামী তিনদিনে বৃষ্টির পরিমাণ কম থাকবে।

এখনও অবধি ৯২ জন বিহারে এবং ২৪ জন উত্তরপ্রদেশে বজ্রাঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন। ওডিশায় সক্রিয় হয়েছে বর্ষা। উল্লেখ্য, খারাপ আবহাওয়ার সতর্কবার্তা ছিল আগে থেকেই। তবে তার চেহারা যে এতটা ভয়ঙ্কর হবে, তা ভাবা যায়নি। একাধিক জেলায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার মৃতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন।

উত্তর-পূর্ব ভারতে বর্ষা অনেকটা গতি নিয়েছে। ইতিমধ্যেই বন্যা হয়েছে অসমে। ব্রহ্মপুত্রে জল বিপদসীমা ছাড়িয়েছে। রাজ্যের নয় জেলা ব্যপকভাবে খতিগ্রস্থ হয়েছে। ধীমাজি অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত। প্রায় ১৯ লাখ মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ১১,৪৬৮ জন মানুষকে ত্রাণ শিবিরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

২০১৩ সালে নির্ধারিত সময়ের আগে বর্ষা এসেছিল। সেই বছরে জুনের ১৬ তারিখ নাগাদ গোটা দেশে বর্ষা এসেছিল। উত্তরাখণ্ডের বন্যা সেইবছর সামনে এসেছিল। ২০১৩ সালের পরে চলতি বছরেই নির্ধারিত সময়ের আগে বর্ষা ঢুকেছে।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV