কলকাতা: কয়েকদিন ধরেই মুখ গোমড়া আকাশের। মাঝেমধ্যেই বৃষ্টি-বজ্রপাত চলছিলই। এবার জানা গেল নিম্নচাপের হাত ধরে শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গে পা রাখতে চলেছে বর্ষা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, উত্তর বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপের হাত ধরেই আগামীকাল অর্থাৎ শুক্রবার বঙ্গে (West Bengal) ঢুকে পড়বে বর্ষা। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতেরও সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রাজ্যজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। এমনকি ভরা কোটালের জেরে ফের জলোচ্ছ্বাসও হতে পারে।

প্রসঙ্গত, রবিবার উত্তরবঙ্গের (North Bengal) ৬টি জেলায় বর্ষা ঢুকেছে বলে জানিয়েছিল মৌসম ভবন। নিয়মমতো আর ৫ দিন পরে দক্ষিণবঙ্গে তার আগমন ঘটবে। সেই হিসাব প্রায় মিলে গেল। শুক্রবার কলকাতা সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করছে বর্ষা। এর আগে বেশ কয়েকদিন ধরে কম-বেশি বৃষ্টি চলছিলই। এমনকি কয়েকদিন আগে বজ্রপাতের জেরে একাধিক প্রাণহানিরও ঘটনা ঘটেছিল।

এই পূর্বাভাস অনেক আগেই ছিল। ১১ জুন বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) একটি নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সেটিও রাজ্যে বর্ষার পথ প্রশস্ত করবে বলে তখন হাওয়া অফিস সূত্রে জানানো হয়েছিল। সেই পূর্বাভাসই মিলে যেতে চলেছে। কারণ মৌসম ভবন সূত্রে জানানো হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপের হাত ধরেই শুক্রবার বর্ষা ঢুকে পড়ছে দক্ষিণবঙ্গে। শুক্রবার বঙ্গে ঢুকে পড়বে বর্ষা। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আগামী চারদিন বজ্রবিদ্যুত্‍সহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলাতেও।

এদিকে ভরা কোটালের জেরে ফের জলোচ্ছ্বাসেরও সম্ভাবনা রয়েছে। ইয়াস ঘূর্ণিঝড় যেদিন বয়ে গিয়েছিল, সেদিনই বাংলা দেখেছিল প্রবল জলোচ্ছ্বাস। দেখেছিল বিশাল ক্ষয়ক্ষতি। সেই ভয়ঙ্কর স্মৃতিকেই সঙ্গে নিয়েই এবার তৎপর প্রশাসন। কিভাবে বিপর্যয় মোকাবিলা করা যায় চলছে তার প্রস্তুতি। কারণ ভরা কোটালের জেরে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ঘটলে, নিচু এলাকাগুলি প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

তাই এর মধ্যেই সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। আবার কি তাহলে প্রকৃতির রোষের মুখে পড়তে চলেছে তারা? উত্তর এখনও অজানা। তবে বিপর্যয় মোকাবিলা করতে তৈরি প্রশাসন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.