বের্ন : ‘মৌলিক অধিকার’ যেকোনও দেশের ক্ষেত্রে সংবিধানের এই ধারাটি একমাএ সেদেশের নাগরিকদের জন্যই প্রযোয্য। তবে এবার বন্যপ্রাণ ধ্বংস ঠেকাতে বাঁদর এবং এপকে মৌলিক অধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তবে ভারত নয়, অভিনব এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে সুইজারল্যান্ডের সরকার। সেদেশের জনগনদের গণভোটে এই সিদ্ধান্ত কার্যকরী করা হবে বলে সূত্রের খবর।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো স্বপ্ন সুন্দরীর দেশ সুইজারল্যান্ডেও অব্যাহত বন্যপ্রাণীদের উপর অত্যাচার, আক্রমণ এবং পশু হত্যা। একশ্রেণির মানুষের লালসা চরিতার্থ করতে গিয়ে আজ পুরোপুরি বিলুপ্ত হওয়ার পথে বেশিরভাগ বিরল প্রজাতির পশুরা। আর তাঁদের বাঁচাতে অন্যান্য দেশের মতো এবার বন্য জীবজন্তু রক্ষায় আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে চলেছে সুইস সরকার।

জানা গিয়েছে, বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণী এপস এবং বাঁদরদের বাঁচাতে সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরের উওর ক্যান্টন এলাকায় প্রায় এক লক্ষ মানুষের কাছ থেকে সাক্ষর গ্রহন করা হয়েছে। যাতে প্রাণীদের মৌলিক অধিকার দেশে বৈধতা পাই। এছাড়াও সরকারের কোনওরকম অনুমোদন ছাড়া কেউ যদি পশু শিকার বা হত্যার কাজে লিপ্ত হয় তাহলে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধেও কঠোর সাজা ঘোষণা করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে সুইজারল্যান্ডের সর্বোচ্চ আদালতে এই প্রস্তাবটির বৈধতা দেওয়ার বিরুদ্ধে একটি আবেদন জমা পড়েছিলো, যদিও দেশের সর্বোচ্চ আদালত সেটি নাকচ করে দেয়।

জানা গিয়েছে, গত বছর বাসেলের একটি আদালত এই সংশোধনীটির বৈধতার বিরুদ্ধে অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছিল। বুধবার সুইজারল্যান্ডের ফেডারেল সুপ্রিম কোর্টও সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল প্রত্যাখ্যান করে দেয়।

আদালত জানিয়েছিল যে, ‘নীতিগতভাবে, সেনানিবাসগুলি ফেডারেল সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত। তারপরেও যথেষ্ট অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেই চলেছে। আর এর ফলে সাধার মানুষের জন্য প্রদত্ত ফেডারেলের অধিকার গুলি প্রাণীদের জন্য করার অনুরোধ জানানো হয়। তবে মানবেতর প্রাইমেটদের জন্য নির্দিষ্ট অধিকার প্রবর্তনের জন্য বলছেন।

আর অস্বাভাবিক হলেও এগুলি নিজে থেকে সর্বোচ্চ আইনের বিরোধিতা করে না। বিশেষত যেহেতু প্রাণী অধিকার এবং মৌলিক মানবাধিকারের মধ্যে মৌলিক পার্থক্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয় না।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।