কলকাতাঃ  কালীঘাটে মুখার্জি ঘাটে বস্তা ভর্তি টাকা। ৫০, ২০ এবং ১০ টাকার সমস্ত টাকা পাওয়া গিয়েছে। সবগুলিই আসল টাকা। কিন্তু বস্তাভর্তি টাকা উদ্ধার হলেও সেগুলি সবগুলি আগুনে পোড়া। কিছু কিছু নোটে এখনও আগুন জ্বলছে। এমনটাই স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

কীভাবে বস্তা ভর্তি এত টাকা এল তা নিয়ে হইহই কাণ্ড! ইতিমধ্যে ঘটনার খবর গিয়েছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে কালীঘাট থানার আধিকারিকরা। কীভাবে এত পোড়া টাকা এখানে এল তা নিয়ে খোঁজখবর শুরু করেছে।

স্থানীয় মানুষজনকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সূত্রে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

জানা যায় রবিবার দুপুরে হঠাত করেই খবর ছড়িয়ে পড়ে যে কালীঘাটের মুখার্জি ঘাটে বস্তা বন্দি টাকা পড়ে রয়েছে। আর সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই হই হই কাণ্ড। এলাকার মানুষ তো বটেই, বহুদূর থেকেও লোকজন টাকা কুড়োতে ছুটে আসে। কিন্তু ছুটে আসলেও কিছুটা স্বপ্ন ভঙ্গই হয়।

দেখা যায়, সমস্ত নোটই পোড়া! আর যেগুলি পড়ে রয়েছে সেগুলি থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। কিন্তু সেখানে হাত দিয়ে অনেকেই টাকা কুড়োতে শুরু করে। যদি ভালো কিছু নোট পাওয়া যায়। সেই লক্ষ্যেই পোড়া এবং ধোঁয়া বের হতে থাকা নোট হাতড়াতে থাকে। স্থানীয় মানুষজন জানিয়েছেন, সমস্ত নোটগুলিই নতুন। আর সমস্ত ৫০, ২০ এবং ১০০ টাকার নোটও আছে। এত নোট কীভাবে সেখানে এল তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।

যদিও স্থানীয় মানুষজন জানাচ্ছে, মন্দির থেকে হয়তো কোনও ভাবে এখানে ভুল করে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে ঘটনার খবর যত ছড়িয়ে পড়তে থাকে তত ভিড় বাড়তে থাকে। অনেকেই পোড়া নোটের মধ্যেও যদি ভালো নোট পাওয়া যায় তা কুড়োতে শুরু করে।

যদিও ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশবাহিনী। এলাকা ঘিরে দেওয়া হয়েছে। কীভাবে এত টাকা সেখানে এল তা খতিয়ে দেখছেন তাঁরা। তবে ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।