নয়া দিল্লি: সিটিজেন অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট নিয়ে প্রতিবাদ ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে দেশ জুড়ে। বিভিন্ন রাজ্য, বিশেষত অসম, রাজধানী দিল্লি ও পশ্চিমবঙ্গতে শুরু হয়েছে এই আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। আর পরিস্থিতি জটিল হওয়াতে সোমবার দিল্লির বেশ কয়েকটি জায়গার স্কুল বন্ধ রাখা হবে  বলে জানানো হয়েছে ।

রাজধানী দিল্লিতেও এই আইনের বিরোধী প্রভাব পড়েছে বেশ দৃঢ় ভাবেই। বিভিন্ন জায়গায় নামানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিক্ষোভের জেরে প্রভাব পড়েছে স্থানীয় জনজীবনেও। ব্যাহত হয়েছে মেট্রো পরিষেবাও। বন্ধ করা হয়েছে দিল্লির সুকদেব বিহার, জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া, ওখলা বিহার, জাসোলা বিহার এবং সাহীন বাগয়ের মেট্রো স্টেশনের গেটও। জানানো হয়েছে এই স্টেশনে দাঁড়াবে না মেট্রো।

এছাড়াও বসন্ত বিহার, মুনিরকা এবং আরকে পুরাম মেট্রো স্টেশনও বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও দিল্লির আইটিও এবং আইআইটি স্টেশনের গেট বন্ধ রাখা হবে বলেও জানানো হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে জিটিবি নগর এবং শিবাজি স্টেডিয়ামের মেট্রো গেট বন্ধ রাখা হয়েছে।

দিল্লির ওখলা, জামিয়া এবং নিউ ফ্রেন্ডস কলোনি ও মদনপুর খাদার এলাকার বেশ কয়েকটি স্কুল সোমবার বন্ধ রাখা হবে বলেও জানানো হয়েছে। রাজধানীতে এই মুহূর্তে ক্রমেই জটিল হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল তিনটি বাসেও। এছাড়াও এই আগুন নেভাতে এসে আহত হয়েছিলেন দমকল কর্মীরাও। এই পরিস্থিতির আঁচ পড়েছে শিলংয়েও। সব মিলিয়ে ক্রমেই জটিল হয়ে পড়েছে পরিস্থিতি। ক্রমেই এই আইনের তাপ ছড়িয়ে পড়ছে সারা দেশ জুড়ে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও