কলকাতা: ২ জুন এসেছিল মৌচাক-( Mouchak) এর পোস্টার। এবার এল লাস্যময়ী মৌ বৌদির মৌচাকের ট্রেলার। মৌচাকে ঢিল মারতে মুখিয়ে থাকে পাড়ার ঠাকুরপোরা। ছিপছিপে শরীরে, লাস্যময়ী কিন্তু দুষ্টু মিষ্টি আবেদনে ঠাকুরপোদের হৃদয়ে ঝড় তোলে মৌ বৌদি। তবে এই মৌ বৌদির রুপ দেখে যেই গলেছে সেই ফেঁসেছে। তাই এই মৌচাকে মধু কোন বিপদ বেশি।

হাতে শাঁখা পলা, পড়নে সাদার ওপর লাল দিয়ে ছাপা শাড়ি, এক ঢাল লম্বা কালো চুল, কপালে ছোট্ট টিপ আর মুখে মিষ্টি একটা হাসি। আর কী চাই ঠাকুরপোদের ঘায়েল করতে। তবে এই মৌ বৌদিকে নিয়ে মহা সমস্যায় পড়েছে তার স্বামী। এদিকে সুন্দরী বউ অন্যদিকে পাড়ার ঠাকুরপোরা-এই দুইয়ের সঙ্গে তাল মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে সে। কারণ সে তো জানে তার বউ কীভাবে চটুল কথায় নিজের শিকার করতে সিদ্ধহস্ত।

তাই বউকে ঘরে তালা দিয়ে রাতে কাজে যান তিনি। তবে তাতেও কি শেষ রক্ষা হল? কারণ এই চাবির অনেকগুলি ডুপ্লিকেট চাবি আছে ঠাকুরপোদের কাছে। আর এই মহান কাজটি করেছেন কে? নিশ্চয়ই আর বলার অপেক্ষা রাখে না মৌ বৌদি নিজেই এ কাণ্ড করেছেন। রাতে স্বামী যখন কাজে যান ঠিক সেই সুযোগেই বন্ধ দরজার তালা খুলে একে একে বৌদির ঘরে প্রবেশ করে চাবিধারী ঠাকুরপোরা।

এ পর্যন্ত তো সব ঠিকই ছিল কিন্তু বিপদ বাধলেও যখন মৌ বৌদির লোভের নদীতে জোয়ার এলো। এক ঠাকুরপো মৌ বৌদির ঘরে এসে কিছুক্ষণ সময় কাটানোর পর মৌ বৌদি তার কাছ থেকে একটা লটারির টিকিট পায়। তারপরেই টিকিটটা নিজের কাছে রাখতে নাছোরবান্দা হয়ে পড়ে মৌ বৌদি। টিকিট হস্তগত করতে গিয়ে এক ধাক্কা মারে সেই ঠাকুরপোকে। আর তাতেই মৃত্যু ঘটে সেই ঠাকুরপোর।

কিন্তু একি বিপদ এই রাতেই একের পর এক ঠাকুরপো ঘরে আসতে শুরু করে। আসলে প্রত্যেককেই যে আলাদা আলাদা করে ডেকেছিল মৌ বৌদি। ঘরের ভেতর থেকে উদ্ধার হতে শুরু করে একের পর এক লাশ। কথায় বলে, ‘লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু’। তবে এক্ষেত্রে তো, ‘ঘরেতে ঠাকুরপো, ঠাকুরপোতো লটারি’। লটারির মধু খেতে গিয়ে এই মৌ বৌদির মৌচাকে ঢিল পরল। ঘাবড়াবেন না! এতো সবে ট্রেলার মাত্র আর কী কী ঘটতে চলেছে এই রাতে জোছনাতে, জানতে হলে দেখতে হবে হইচই (Hoichoi) এর আসন্ন ওয়েব সিরিজ মৌচাক।১৮ জুন রিলিজ করবে এই সিরিজ।

মৌ বৌদির চরিত্রে অভিনয় করছেন মনামি ঘোষ (Monami Ghosh)।মনামীর স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করছেন কাঞ্চন মল্লিক (Kanchan Mullick)। দেদার মজা সঙ্গে সাসপেন্স নিয়ে মৌ বৌদি যে এই জোছনা রাত মাখিয়ে দেবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.