কলকাতা: টলমল! বাগানের বর্তমান পরিবেশকে এককথায় ব্যাখা করলে এটাই বলতে হয়৷

কাশ্মীরের বিরুদ্ধে হার, কোচ শংকরলালের পদত্যাগ৷ নতুন কোচ হিসেবে বিতর্কিত খালিদের ময়দানে প্রত্যাবর্তন৷ ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বাগানে পরতে পরতে নাটক৷ মিনার্ভার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে ময়দানের কোচিং কেরিয়ারের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করছেন খালিদ৷ শেষবার ক্লাব রাজনীতির কারণে ডামাডোল তৈরি হয়েছিল৷ সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে পরে অবশ্য ট্র্যাকে ফেরে বেসামাল বাগান৷ কোচ বদলের পর সবুজ-মেরুন ব্রিগেড এবার নতুন করে ট্রফির দৌড়ে ফিরতে পারে কিনা সেটাই এখন দেখার৷

শেষবার কলকাতায় এসে ইস্টবেঙ্গলকে মাটি ধরিয়ে ছেড়েছে বাজাজের পঞ্জাব৷ ডিফেন্সে লোক বাড়িয়ে প্রধমার্ধ গোলশূন্য রেখে দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিআক্রমণে এক গোল৷ পরের মিনিট থেকেই ঠাঁসা ডিফেন্স৷ সহজ হিসেবে স্প্যানিশ আলেজান্দ্রোর দলের বিরুদ্ধে যুবভারতী থেকে তিন পয়েন্ট নিয়ে ফিরেছে শেষ বারের চ্যাম্পিয়ন দল৷ সেই দলের বিরুদ্ধে বাগানের কঠিন পরীক্ষা৷

বাগানের নয়া কোচ খালিদ ম্যাচ নিয়ে খুব বেশি শব্দ খরচ না করলেও বিপক্ষ কোচ বাগানকে হালকাভাবে নিতে নারাজ৷ মিনার্ভার বিদেশি কোচ শুনিয়ে গেলেন, ‘বিদেশিরা অনেকেই চোট পেয়েছেন৷ ডিফেন্সের দুই বিদেশি ছাডা় কাউকেই ম্যাচে পাওয়া যাবে না৷ মোহনবাগানের মতো পঞ্জাবও পয়েন্ট টেবিলের নীচের সারিতে৷ সেকারনেই প্রতিপক্ষের কোচ বদল বা টলমল পরিস্থিতি ম্যাচে কোনওভাবেই প্রভাব ফেলবে না৷’

ময়দানের দুই প্রধানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কটা বরাবরই অম্ল-মধুর৷ কখনও সুখদেব ইস্যুতে লাল-হলুদের সঙ্গে কাঁটে কা টক্কর৷ কখনও আবার ফেডারেশনের বিরুদ্ধে ম্যাচ সম্প্রচার না করার প্রতিবাদে কলকাতার দুই প্রধানকে পাশে না-পাওয়া৷ সব মিলিয়ে বলাই যায় দুই প্রধানের সঙ্গে পঞ্জাব কর্তা রঞ্জিত বাজাজের সম্পর্কের দেওয়াল বেশ চওড়া৷ ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচ থেকে পুরো পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ার পর এবার বাগানকে মাটি ধরালে হাসি চওড়া হওয়ার সুযোগ বাজাজের৷