মোহনবাগান ২ ( কাটসুমি ৩৪’, নর্ডি ৬২’)  মুম্বই ০

বারাসত: ‘প্রবীণ প্রজন্ম থেকে নেক্সট জেন,বারাসাত জুড়ে কাল সঞ্জয় সেন৷’ ২৪ ঘণ্টা আগে মোহনবাগানের অফিসিয়াল টুইটার পেজে এই পোস্টটাই চোখ টেনেছিল৷ ফেডারেশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও মোহনবাগানের কোচের সমর্থনে বারাসত স্টেডিয়ামে দশ হাজার সঞ্জয় সেনের মুখোশ পরা সমর্থকরা এসেছিলেন গলা ফাটাতে৷

নির্বাসিত সঞ্জয়ের বদলে সহকারি কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তীই ছিলেন দায়িত্বে৷ এই মোহনবাগান দলের সম্ভবত কোনও কোচের প্রয়োজন নেই৷ নর্ডি-কাটসুমিরা জানেন কি করে অশ্বমেধের ঘোড়াকে দৌড় করাতে হয়৷ রবিবারও পালতোলা নৌকা এগিয়ে চলল আপন ছন্দে৷ খালিদ জামিলের মুম্বই এফসিকে ২-০ হারিয়ে দিল মোহনবাগান৷ফলে ১১ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকার শীর্ষেই রইল মোহনবাগান। ১১ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে বেঙ্গালুরু এফসি। সমসংখ্যক ম্যাচে দু’পয়েন্ট কম পেয়ে তিনে ইস্টবেঙ্গল৷

এদিন মুম্বই এফসির বিরুদ্ধে প্রথম কুড়ি মিনিট সেভাবে সুবিধা করতে পারেনি মোহনবাগান৷ উল্টে অ্যাডভান্টেজে ছিল জামিলের ছেলেরা৷ ম্যাচের ৩৪ মিনিটেই বাগানকে এগিয়ে দেন দলের বিশ্বস্ত যোদ্ধা কাটসুমি৷ মুম্বই রক্ষণের ফাঁকফোকড়ের সুযোগ নিয়ে অসাধারণ প্লেসমেন্টে গোলকিপারকে পরাস্ত করেন জাপানি বোম্বার৷ প্রথমার্ধে যদিও বাগানের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল আরও৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি৷ দ্বিতীয়ার্ধে তেড়েফুড়ে খেলতে শুরু করে মোহনবাগান৷ ম্যাচের ৬২ মিনিটে বিশ্বমানের ফ্রি-কিকে বাগানের স্কোরলাইন ২-০ করেন সনি নর্ডি৷ এই গোলই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়৷

পুরো ম্যাচের বিচারে সনি, ভার্গবরা এদিন যে সব সুযোগ নষ্ট করলেন তা বলার নয়। মুম্বই এফসি এদিন তেমনভাবে গোলের সুযোগই তৈরি করতে না-পারার জন্যই ডুবল। এদিন প্রায় নিশ্চিত তিনটি গোল বাঁচালেন দেবজিৎ মজুমদার৷ ম্যান অফ দ্য ম্যাচ নর্ডি হলেও, বাগানের ম্যান কিন্তু দেবজিৎই৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।