কলকাতা: মিনি ডার্বির আগে ফুটবলারদের চাপমুক্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন বাগানের স্প্যানিশ কোচ৷ কিন্তু তাতে কাজ হল না৷ বৃহস্পতিবার যুবভারতী দেখল অন্য ছবি৷ ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটেই মহমেডানের কাছে ২ গোল হজম করল মোহনবাগান৷ প্রথমার্ধের আগে ব্যবধান কমালেও ম্যাচ জিততে পারল না কিবু ভিকুনার দল৷ শেষ পর্যন্ত ২-৩ গোলে মিনি ডার্বি হেরে গেল মোহনবাগান৷ সেই সঙ্গে খেতাব জয় থেকে আরও দূরে সরে গেল সবুজ-মেরুন৷

অন্য দিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগের দিন মহামেডান ফুটবলারদের হাতে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর দীপেন্দু বিশ্বাসের অর্থ তুলে দেওয়া পেপ-টকের কাজ করে৷ ম্যাচের শুরু থেকে উজ্জীবিত ফুটবল খেলে সাদা-কালো ফুটবলাররা৷ ভিকুনার ছেলেদের বিরুদ্ধে তিন-তিনটি গোল করে বাজিমাত করে মহামেডান৷ এই জয়ে ৯ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবলে দু’ নম্বরে উঠে এলে সাদাকালো শিবির৷ আর পাঁচ নম্বরে নেমে গেল মোহনবাগান৷ এদিন অন্য ম্যাচে ভবানিপুরকে ২-০ হারিয়ে লিগ শীর্ষেই রইল পিয়ারলেস৷ ৮ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ১৭৷ তিন ও চারে রয়েছে যথাক্রমে ভবানিপুর ও ইস্টবেঙ্গল৷ দু’জনের পয়েন্ট ১৪৷

মাত্র ৮ মিনিটেই করিম ওমোলাজার গোলে এগিয়ে যায় মহামেডান৷ কর্নার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সাদা-কালোর নাইজেরিয়ান ফুটবলার৷ দু’ মিনিটের মধ্যেই ২-০ করে সাদাকালো শিবির৷ তির্থাঙ্কর সরকারের ডিফেন্স লাইন ভেদ করে বাগানের জালে বল জড়াতে সক্ষম হন৷ মাত্র ১০ মিনিটেই জোড়া গোল করে ম্যাচে দখল নেয় মহামেডান৷ সল্টলেকের যুবভারতী স্টেডিয়ামে বাগান সমর্থকদের মাথায় হাত৷

বাগান ফুটবলাররা পাসিং ফুটবলের উপর জোড় দিলেও গোলের দেখা পায়নি৷ তবে ২৩ মিনিটের মাথায় গোলের দেখা পায় মোহনবাগান৷ জোসেবা বেইতিয়ার দুরন্ত ফ্রি-কিকে ব্যবধান কমায় সবুজ-মেরুন৷ বেইতিয়ার ফ্রি-কিক মনে করিয়ে দেয় আন্দ্রে পিরলোকে৷ বেইতিয়া’র গোলে ম্যাচে ফেরে মোহনবাগান৷

ম্যাচে সমতা ফেরানোর সুযোগ ছিল বাগানের সামনে৷ কিন্তু মহামেডান গোলকিপার প্রিয়ান্ত সিংয়ের দুরন্ত সেভে তা হয়নি৷ পেনাল্টি বক্সের ঠিক বাইরে থেকে বেইতিয়া’র জোরাল শট আটকে দেন প্রিয়ান্ত৷ প্রথমার্ধে আধিপত্য বজার রাখলেও শুরুতেই দু’ গোল হজম করায় ম্যাচ ফিরতে পারেনি বাগান৷ দ্বিতীয়ার্ধে আরও একটি গোল হজম করে ভিকুনার ছেলেরা৷ ৬১ মিনিটে চিড্ডির গোলের ব্যবধান বাড়ায় মহামেডান৷ এর মিনিট ন’মিনিট পর বেইতিয়া’র ফ্রি-কিক থেকে সালভা চামোরোরা ফের ব্যবধান কমায় মোহনবাগান৷ কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি৷ মিনি ডার্বি ২-৩ গোলে হেরে খেতাব জয় থেকে আরও দূরে সরে গেল বাগান৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.