স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া : বিভিন্ন স্থানে জায়েন্ট স্ক্রিনে আইএসএল-এর প্রথম ঐতিহাসিক ডার্বি ম্যাচ দেখানো হবে। বাদ পড়েনি হাওড়াও। কদমতলা পাওয়ার হাউস অঞ্চলের দেশবন্ধু স্মৃতি মন্দিরে ক্লাব মোহনবাগান ফ্যানদের জন্য জায়েন্ট স্ক্রিনে খেলা দেখানোর ব্যবস্থা সেখানে এলাকার সমস্ত মোহনবাগান সমর্থককে খেলা দেখতে আসার আহ্বান করেছে সবুজ মেরুণ সমর্থক এই ক্লাব।

একইরকমভাবে সামাজিক দূরত্ব ও কোভিড-১৯ নির্দেশিকা মেনে বর্ধমান শহরের নীলপুরের জাগরণী সংঘের মাঠে ২৭ তারিখ ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের লাইভ খেলা বিনামূল্যে দেখানো হবে জায়ান্ট স্ক্রিনে। মাস্ক বিতরণ করা হবে, স্যানিটাইজিং-এর ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন, ‘ইস্টবেঙ্গল ইন বর্ধমান’ (বর্ধমান ইস্টবেঙ্গল ফ্যান ক্লাব) এর দুই সদস্য সুমন দাস ও প্রদ্যুৎ সাহা । তাঁরা জানিয়েছেন, যেহেতু ইস্টবেঙ্গল প্রথম আই এস এল খেলছে তাই গোটা বর্ধমান শহরে পোস্টার, প্ল্যাকার্ড-এর মাধ্যমে শুভেচছা বার্তা দেওয়া হবে।

২৬ তারিখ রাতের মধ্যে এগুলো লাগানোর কাজ শেষ হবে। কোভিড-১৯ সতর্কতা মেনে জাগরনীর মাঠের এরিয়া বেশি করে নেওয়া হচ্ছে। ৬০ জন বসার ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে সদস্য এবং আমন্ত্রিতরাই ঢুকতে পারবেন। যেহেতু খোলা জায়গায় হচ্ছে পথচলতি মানুষজনও দাঁড়িয়ে দেখতে পারবেন।

বাদ যায়নি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। তাঁরা নিজেরাই সেই ব্যবস্থা করেছে। ইন্ডিয়ান সুপার লিগে আজ মুখোমুখি হতে চলেছে এটিকে মোহনবাগান এবং এস সি ইস্টবেঙ্গল। আইএসএলের ইতিহাসে প্রথম ডার্বি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। আর সেই উত্তেজনা, আবেগের পারদ চড়াতে এবার সমর্থকদের মাঠেই খেলা দেখানোর সিদ্ধান্ত নিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। ক্লাবের বৈঠকে আজ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

করোনা আবহে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হচ্ছে খেলা। ফলে সমর্থকদের উৎসাহ দিতেই এই সিদ্ধান্ত ক্লাবের। আজ ইস্টবেঙ্গল মাঠে সম্পূর্ন স্বাস্থবিধি মেনে জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা দেখানো হবে। দুই প্রধানেরই অনেক ফ্যান ক্লাবও আজ জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা দেখানোর ব্যবস্থা করেছে।

শতবর্ষে ক্লাব প্রবেশ করেছে আইএসএলে। ডার্বি দিয়েই আইএসএল অভিযান শুরু করতে চলেছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। ফলে মাঠে বসে তা দেখার সুযোগ না পাওয়ায় হতাশ ছিলেন সমর্থকরা। তা মেটাতেই এই ভাবনা ক্লাব কর্তৃপক্ষের

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।