কলকাতা: ডুরান্ডের সেমিফাইনালে পৌঁছলেও কলকাতা লিগে হতশ্রী পারফরম্যান্স মোহনবাগানের৷ দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়ের মুখ দেখল না সবুজ-মেরুণ৷ প্রথম ম্যাচে পিয়ারলেসের কাছে ৩ গোলে হারের পর বুধবার ঘরের মাঠে ক্যালকাটা কাস্টমসের বিরুদ্ধে ড্র করল কিবু ভিকুনার দল৷

ফার্ন গঞ্জালেসের বিশ্বমানের গোলেও জয় পেল না বাগান৷ ম্যাচের ২০ মিনিটে গঞ্জালেসের জোরাল শটে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। বক্সের বাইরে থেকে স্প্যানিশ ফুটবলারের দুরন্ত শট দর্শকের মতো দেখেন কাস্টমসের গোলকিপার৷ কিন্তু ম্যাচের বাকি ৭০ মিনিটে কোনও গোল করতে পারেননি বাগান ফুটবলাররা৷ উলটে গোল হজম করে কোমক্রমে ড্র করে সবুজ-মেরুণ৷

ঘরের মাঠে ভিকুনার দলের জয় দেখতে উপস্থিতি ছিলেন বাগান সমর্থকরা৷ কিন্তু বাগান ফুটবলারদের পারফরম্যান্সে হতাশ গঙ্গাপাড়ের ক্লাব সমর্থকরা। স্প্যনিশ কোচ ও স্প্যানিশ ফুটবলারের কাছে দর্শনীয় ফুটবল উপহার চেয়েছিলেন বাগান সমর্থকরা। কিন্তু ডুরান্ড কাপের প্রথম ম্যাচে জয় দিয়ে মরশুম শুরু করেছিল মোহনবাগান৷ কিন্তু ডুরান্ডে প্রথম দু’টি ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যায় বাগান৷ কিন্তু কলকাতা লিগের প্রথম দু’টি ম্যাচে জয়ের মুখ দেখল না গঙ্গাপাড়ের ক্লাব৷

গঞ্জালেসের গোলের ফলে প্রথমার্ধে মোহনবাগান আধিপত্য দেখালেও দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের রাশ থাকে কাস্টমসের। তারা গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। সবুজ-মেরুণ গোলরক্ষক শঙ্কর রায়ের দস্তানা একের পর এক সেভ করায় প্রথমার্ধে গোলের মুখ খুলতে পারেনি কাস্টমস৷ কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের অর্থাৎ ম্যাচের ৮৯ মিনিটে স্ট্যানলির গোলে ম্যাচে সমতা ফেরায় কাস্টমস৷ বক্সের মধ্যে থেকে স্ট্যানলির জোরাল শট আটকাতে পারেননি বাগান গোলরক্ষক৷

এক আগে অবশ্য লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন মোহনবাগানের ডিফেন্ডার কিমকিমা। ৬৩ মিনিটে কাস্টমসের বিদেশি ফুটবলার ফিলিপ আদজাকে পিছন থেকে ট্যাকেল করেন তিনি। বাকি ২৭ মিনিট ১০ জনে খেলে মোহনবাগান। ৮৩ মিনিটে কাস্টমসের দেবায়ন সাহা দু’টি হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায় শেষ সাত মিনিট ১০ জনে খেলে কাস্টমসও৷ সেটাও কাজে লাগাতে পারেনি ভিকুনার ছেলেরা৷ ম্যাচে এগিয়ে থেকেও জয় না-পাওয়ায় হতাশ সবুজ-মেরুণের স্প্যানিশ কোচ।