কলকাতা: ড্র-এর হ্যাটট্রিকে বছর শেষ করল মোহনবাগান৷ ঘরের মাঠে শেষ তিন ম্যাচে হারাল ছয় পয়েন্ট৷ লিগের শুরুতে বাগান জনতার মন ভরাতে পারলেও বাগানের বিদেশিদের খেলায় এখন আর সেই ঝাঁঝ নেই৷ চোটের জন্য দলে নেই সনি,ইউটা৷ ক্রোমা-ডিকারাও সনির অনুপস্থিতিতে বড়ই বেমানান৷ শেষ পঁচিশ মিনিট অনূর্ধ্ব-১৭’র অ্যারোজকে ১০ জনে পেয়েও শুক্রবার গোলের দরজা খুলতে পারেনি বাগানের আক্রমণ ভাগের ফুটবলাররা৷ এরপরই ঘরের মাঠে সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে উঠেছে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান৷ এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলড বাগানের হেডস্যার৷

আরও পড়ুন- ‘লজ্জার ড্র’, স্লোগান উঠল ’সঞ্জয় গো ব্যাক’

ডিসেম্বরে মুক্তিপ্রাপ্ত অ্যামাজন অভিযানের পোস্টারে সঞ্জয়ের মুখ বসিয়ে চলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা টিপ্পনি৷ অ্যামাজন অভিযানের জায়গায় লেখা হয়েছে আই লিগ অভিযান,আর দেবের ভূমিকায় সঞ্জয় সেন৷ লিগের মাঝপথে কোচের সঙ্গে ফুটবলারদের বোঝাপড়ার অভাবকেই দায়ী করছেন সমর্থকরা৷ এর সঙ্গে চলছে সঞ্জয়ের পারফরম্যান্স নিয়ে কাটাছেঁড়া৷

ম্যাচের শেষে বাগান তাঁবুর বাইরে গো ব্যাক সঞ্জয় স্লোগান দিচ্ছে বাগান জনতা

অ্যারোজ ম্যাচ ড্র করে বাগান কোচ মেনে নিয়েছেন, এই ম্যাচ ড্র করাটা তাঁর কাছে লজ্জার৷ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্রোমাদের হেডস্যার বলেন, ‘ফুটবলারদের ছোট ছোট পাশে খেলতে বলা হলেও তারা লং পাশে খেলছেন৷ একাধিক গোল মিস করছেন বিদেশিরা, যার কোনও ক্ষমা হয় না৷’

আরও পড়ুন- বাগান জনতার হৃদয় জয় রহিমের

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।