কলকাতা: ঘরের মাঠে পরপর তিন ম্যাচ ড্র, লিগে মোট চারবার৷ সঙ্গে চোট আঘাত আর বিদেশিদের নিয়ে সমস্যা লেগেই আছে৷ অ্যারোজ ম্যাচে জুনিয়র দলের কাছে আটকে যাওয়ায় পর উঠেছে ‘সঞ্জয় গো ব্যাক!’ স্লোগান৷ ক্রোমা-ডিকাদের পারফরম্যান্সেও এখন আতস কাঁচের নীচে৷ সেই গুমোট আবহাওয়াতেই মঙ্গলবার ঘরের মাঠে বাগানের প্রতিপক্ষ ‘দুর্বল’ চেন্নাই সিটি এফসি৷ লিগ টেবিলে এখন যারা আট নম্বরে৷ এই ম্যাচকেই লড়াইয়ে ফেরার ম্যাচ হিসেবে দেখছেন সঞ্জয়৷ পচা শামুকে পা কাটলে চাপ আরও বাড়বে সেটা ভালই জানেন বাগান কোচ, সবুজ মেরুন ব্রিগেডকে ট্রফির লড়াইয়ে ফেরাতে তাই দলে একজন সুভাষচন্দ্রকে চাইছেন ক্রোমাদের হেডস্যার৷

আরও পড়ুন- বাগান জনতার হৃদয় জয় রহিমের

দলের গুমোট ভাব কাটাতে ‘তেতো’ ভোকাল টনিকও রেডি সঞ্জয়ের৷ বলছেন ‘লিগ জয়ের পথটা মসৃণ হবে কোথাও লেখা নেই, বাধা টপকাতে হবে৷’ দল কত পয়েন্ট হারাল সেই নিয়ে খোঁচা না দিয়ে ফুটবলারদের উপর চাপ কমানোর দায়িত্ব নিচ্ছেন বাগান কোচ৷ সঙ্গে লং বলের বদলে মাটিতে বল রেখে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া বাড়ানোয় পরামর্শ দিচ্ছেন৷ আর চাইছেন একজন সুভাষচন্দ্রকে৷

আরও পড়ুন- ঐতিহাসিক ম্যাচে বাগানকে বিঁধল অ্যারোজ

সনি নেই, অধিনায়কের জায়গা নিতে পারছেন না কেউ, নেতার অভাবে ভুগছে বাগান৷ দলের হতশ্রী পারফর্ম্যান্সের জন্য স্ট্রাইকারদের ব্যার্থতার পাশাপাশি লিডারশিপের অভাবকেই দুষছেন সঞ্জয়৷ টিম মিটিংয়ের পরিকল্পনাগুলোই মাঠে কাজে লাগাতে পারছে না দল, এমনটাই অভিযোগ তাঁর৷ মাঠে তাই একজন সুভাষচন্দ্রের মতো নেতা চাইছেন চেতলা নিবাসী৷ যার কাজটা হবে দলকে তাতানো৷ ড্রয়িং বোর্ডের পরিকল্পনাগুলোকে কাজে লাগিয়ে বাগানের ট্রফি জয়ের দৌড়ে ফিরিয়ে আনাই হবে নেতার কাজ৷ চেন্নাই ম্যাচে সঞ্জয়ের সুভাষ কে হবে সেটাই এখন দেখার৷

আরও পড়ুন- মোহনবাগানকে পিছনে ফেলে ‘সেকেন্ড বয়’ ইস্টবেঙ্গল

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প