কলকাতা: প্রথম দুই ম্যাচ জিতে আগেই ডুরান্ডের সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল মোহনবাগান৷ শনিবার লিগের শেষ ম্যাচে ইন্ডিয়ান নেভিকে হারিয়ে অপরাজিত থেকেই শেষ চারে নামবে কিবু ভিকুনার দল৷

ডুরান্ডের সেমিফাইনালে বাগানের প্রতিপক্ষ রিয়েল কাশ্মীর৷ বুধবার যুবভারতীতে ঐতিহ্যবাহী এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠার জন্য কাশ্মীরের এই দলটির মুখোমুখি হবে বাগান৷ তার আগে অবশ্য শনিবার ইন্ডিয়ান নেভি’র বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জিতে সেমিফাইনালের প্রস্তুতি সেরে রাখল মোহনবাগান।

বাগানের জার্সিতে অভিষেকেই নিজেকে মেলে ধরলেন শুভ ঘোষ। প্রথমার্ধে তরুণ এই ফুটবলারের একক প্রচেষ্টায় একাধিকবার গোলের সুযোগ পেয়েছিল মোহনবাগান৷ কিন্তু প্রতিপক্ষের জালে বল জড়াতে পারেনি। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ৫৮ মিনিটে ফ্রান গঞ্জালেসের গোলে এগিয়ে যায় সবুজ-মেরুন।

ম্যাচের ৫৫ মিনিটে বক্সের ভেতরে শেখ ফৈয়াজকে লাথি মারেন মোহনবাগানের প্রাক্তন দলরাজ সিং। ফলে পেনাল্টি পায় বাগান৷ পেনাল্টি থেকে গোল করে করতে ভুল করেননি গঞ্জালেস৷ ইন্ডিয়ান নেভি’র বিরুদ্ধে জিতলেও প্রতিপক্ষের উদ্দেশ্যে সৌজন্য দেখান সবুজ-মেরুন সমর্থকরা। ভারতীয় জলবাহিনীর ফোর্সের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গ্যালারিতে টাঙানো ছিল ব্যানার৷ যাতে লেখা ছিল, ‘ন্যাশনাল ক্লাব স্যালুটস ন্যাশনাল আর্মড ফোর্সেস।’

রিয়াল কাশ্মীরের বিরুদ্ধে সেমি ফাইনাল আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল বাগানের। তাতেও বৃষ্টির উপেক্ষা করে প্রিয় দলের হয়ে গলা ফাটাতে এদিন গ্যালারিতে হাজির ছিলেন প্রায় শ’ পাঁচেক সবুজ-মেরুণ সমর্থক৷ নিয়মরক্ষার ম্যাচে এদিন দলে ৭টি বদল এনেছিলেন বাগানের স্প্যানিশ কোচ ভিকুনা। বাঁ-পায়ের গোড়ালির চোটের জন্য আগেই বিশ্রামে রাখা হয়েছিল মিড-ফিল্ডার জোসেবা বেইতিয়া। রিজার্ভ বেঞ্চকে দেখে নিতে স্ট্রাইকার সালভা চামোরো’কে বিশ্রাম দিয়েছিলেন বাগান কোচ।