কলকাতা: লকডাউনের জেরে চার মাসেরও বেশি সময় কলকাতা শহরে আটকে থাকার পর অবশেষে রবিবার দেশের ফেরার উদ্দেশ্যে শহর ছাড়লেন পাপা বাবাকর দিওয়ারা। আর এক্ষেত্রে পেশাদারিত্বের মোড়ক খুলে মানবিকতার পরিচয় দিলেন মোহনবাগান কর্মকর্তারা। রবিবার ক্লাবের সূত্রে সেনেগালের এই স্ট্রাইকারের দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার বিষয়টি ক্লাবের পক্ষে জানানো হয়েছে।

ড্যানিয়েল সাইরাসের পরিবর্ত হিসেবে ২০১৯-২০ আই লিগের মাঝপথে মোহনবাগান স্কোয়াডে যোগদান করেন সেনেগালের এই স্ট্রাইকার। ১০ গোল করে মোহনবাগানের আই লিগ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। গত ১০ মার্চ আই লিগের শেষ ম্যাচে আইজল এফসি’র বিরুদ্ধে তাঁর গোলেই চ্যাম্পিয়নশিপ নিশ্চিত করে বাগান। কিন্তু করোনাভাইরাস এবং সেই কারণে লকডাউনের জেরে এতদিন দেশে ফেরা হয়ে ওঠেনি সেনেগালের এই ফুটবলারের। পরিবার নিয়েই এই শহরে আটকে ছিলেন তিনি।

অবশেষে প্রায় দ্বিগুণ অর্থ খরচ করে সেভিয়া ফুটবল ক্লাবের প্রাক্তনীর দেশে ফেরার ব্যবস্থা করে দিলেন মোহনবাগান কর্তারা। কলকাতা থেকে জয়পুর। জয়পুর থেকে দুবাই। এরপর সেখান থেকে সেনেগালের ডাকারের বিমান ধরবেন দিওয়ারা। রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পাপার শহর ছাড়ার খবর সম্পর্কে অনুরাগীদের জ্ঞাত করে মোহনবাগান ক্লাব। এমনকি শহর ছাড়ার আগে নিরাপত্তা বিধির কথা মাথায় রেখে সপরিবারে দিওয়ারার পরিবারের করোনা পরীক্ষারও ব্যবস্থা করে ক্লাব। তাঁর দেশে ফেরার বিষয়ে মানবিক হওয়ায় ক্লাব কর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ সেনেগাল স্ট্রাইকার।

ক্লাবকর্তাদের প্রতি এক বার্তায় বাগানের আই লিগ জয়ের অন্যতম কান্ডারি জানিয়েছেন, ‘কঠিন সময়ে আমার এবং পরিবারের খেয়াল রাখার জন্য আমি ক্লাবের প্রতি ভীষণভাবে কৃতজ্ঞ। আমার এদেশে থাকার এবং দেশে ফেরার ব্যবস্থা করার জন্য আমি ম্যানেজমেন্টকে, বিশেষ করে ক্লাব কর্তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই।’ উল্লেখ্য, একইভাবে গত সপ্তাহে ড্যানিয়েল সাইরাসেরও দেশে ফেরা ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন বাগান কর্তারা।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা