কলকাতা: সরকারি ঘোষণা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী সপ্তাহেই নয়া ইনভেস্টরের নাম ঘোষণা করতে পারে মোহনবাগান। আর সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাগানের নতুন ইনভেস্টর হতে চলেছে এটিকে। সূত্রের খবর তেমনটাই।

দু’পক্ষের মধ্যে ‘মউ’ স্বাক্ষরিত হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই, বোর্ড অফ ডিরেক্টরস হিসেবে কোনপক্ষের কতজন থাকবেন তাও পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। হোম-অ্যাওয়ে জার্সি কী হবে না হবে চূড়ান্ত তাও, কেবল অপেক্ষা সরকারি ঘোষণার। সবমিলিয়ে এটিকে’র সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে বাগানের আইএসএলে মাঠে নামার বিষয়টা কার্যত দিনের আলোর মত পরিষ্কার। আর দু’পক্ষের মধ্যে গাঁটছড়া বাঁধার কাজটা করছে ফুটবল অ্যান্ড স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড। এই এটিকে’র সঙ্গেই একসময় গাঁটছড়া বাঁধার বিষয়ে অনেকটা দূর এগিয়েছিলে ইস্টবেঙ্গলের কথাবার্তা। যদিও তা দিনের আলো দেখেনি।

অতীতে মোহনবাগানের সঙ্গেও চুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে কথা হয়েছিল এটিকে’র। যদিও তা শেষমুহূর্তে ভেস্তে যায়। কিন্তু ইনভেস্টরের খোঁজে হন্যে হয়ে ঘুরতে থাকা বাগান কর্তারা শেষ অবধি বুঝতে পারেন এফএসডিএল ছাড়া আইএসএল খেলার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয় তাঁদের পক্ষে। তাই এফএসডিএলের কথামতোই এটিকে’র সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে সহমত পোষণ করেন বাগান কর্তারা। সবমিলিয়ে এটিকে’র সঙ্গে মিলিত হয়ে আগামী মরশুমে আইএসএল খেলা একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গেল মোহনবাগানের।

যদিও দু’পক্ষের তরফে চূড়ান্ত কিছু স্বীকার করা হয়নি চুক্তির বিষয়ে। মোহনবাগানের অর্থসচিব দেবাশিস দত্তের কথায়, ‘আমরা বরাবরই এই চুক্তির বিষয়ে আলোচনার মধ্যে ছিলাম। এখনও রয়েছি। কিন্তু চুক্তির বিষয়টি এখনও কোনওভাবে চূড়ান্ত হয়নি। চূড়ান্ত হলে ঘোষণার মধ্যে দিয়ে পরবর্তীতে অনুরাগীদের জ্ঞাত করব আমরা।’ এটিকে’র অন্যতম শেয়ারহোল্ডার উৎসব পারেখের কথায়, এফএসডিএল বিষয়টিতে নজর রাখছে। এখনও চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত হয়নি কিছুই।

ভারতীয় ফুটবলের নয়া রোডম্যাপ অনুযায়ী সম্প্রতি দেশের পয়লা নম্বর লিগ হিসেবে আইএসএল’কেই স্বীকৃতি দিয়েছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। এমনকি এএফসি’র নির্দেশিকা অনুযায়ী আসন্ন ২০২০-২১ মরশুমে দু’টি আই লিগের ক্লাবের জন্য দরজা খুলে যাবে আইএসএল’র। তবে আইএসএল’র যাবতীয় ক্রাইটেরিয়া পূরণ করতে হবে ক্লাব দু’টিকে। আর এই নির্দেশিকা অনুযায়ীই কলকাতার দুই প্রধান ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের আগামী মরশুমে আইএসএল খেলা কার্যত নিশ্চিত।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও