সুভীক কুন্ডু, কলকাতা: প্রশ্নের মুখে রেফারির ভূমিকা৷
প্রশ্ন ১:ডার্বিতে রালতের প্রথম গোল কি অফ-সাইড ছিল?
প্রশ্ন ২: কিংসলেকে দেখানো প্রথম হলুদ কার্ডটি যথাযথ?

প্রথম প্রশ্নের উত্তর নিয়ে জলঘোলা না করলেও দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তরে যুক্তিযুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন বাগানের হেডস্যার শংকরলাল৷এখানেই শেষ নয়৷ বিতর্কিত গোল নিয়ে এবার ফেডারেশনের কাছে যাচ্ছে মোহনবাগান৷

আরও পড়ুন: জাতীয় দলের জার্সিতে জবিকে চান তৃপ্ত আলেজান্দ্রো

ডার্বি হেরে রেফারির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন বাগান কর্তারাও৷ ক্লাবকর্তারা ডার্বি হারের পিছনে রেফারিকেই দুষেছেন৷ রেফারির বিরুদ্ধে ফেডারেশনের কাছে চিঠি দিল ক্লাব কর্তারা৷ এদিন মাঠে একের পর এক সিদ্ধান্ত মোহনবাগানের বিরুদ্ধে গিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা৷

শুধু তাই নয়, ম্যাচের পর এদিন ক্লাবকর্তা দেবাশিস দত্ত ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ‘এমন রেফারিকে ব্যান করা উচিত৷ রেফারির মান ভাল না হলে ভারতীয় ফুটবলে কোনও দিনই উন্নতি আসবে না৷’সেই সঙ্গে লাল-হলুদের নতুন বিদেশি কোলাডোর বিরুদ্ধে প্লে-অ্যাক্টিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন বাগান কোচ শংকর৷ এক্ষেত্রে কোনও কার্ড না দেখানোয় সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে রেফারির অনভিজ্ঞতা বলে উল্লেখ করেন বাগান কোচ৷

আরও পড়ুন: মশালের আগুনে পুড়ল বাগান

অন্যদিকে ডার্বিতে হার, লিগে টানা তিন ম্যাচে জয় অধরা মোহনবাগানের৷ শেষবারের মতো এবারও ঘরের মাঠে পয়েন্ট হারানোর রোগে আইসিইউতে সবুজ-মেরুন শিবির৷ ঘরের মাঠে শেষ তিন ম্যাচে সাত পয়েন্ট খুইয়েছে বাগান৷ পয়েন্ট তালিকায় ডিকারা এখন অষ্টম স্থানে৷ এত কিছুর পরেও অবশ্য মোহনবাগানকে চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে ছিটকে যেতে দেখছেন না বাগান সারথী৷

ডার্বি হারের পর হতাশ শংকর বলেন, ‘এখনই লিগের দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছি বলা যাবে না৷ ডার্বি হারলেও দশ জনে খেলা মোহনবাগান অনেক লড়াই করেছে৷ একটা জয়ই এখন চাকা ঘোরাতে পারে৷’

আরও পড়ুন: কলকাতা থেকে মুম্বই, ডার্বির উত্তাপ সর্বত্রই

উত্তেজক ডার্বিতে এদিন আজারউদ্দিনের গোলে ১৩ মিনিটে এগিয়ে গেলেও ম্যাচের রাশ নিজেদের দিকে ধরে রাখতে পারেনি মোহনবাগান৷ এক গোলে পিছিয়ে থাকা অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে মোহনবাগানকে ৩-২ গোলে পরাজিত করে ইস্টেবঙ্গল৷ ইস্টবেঙ্গলের হয়ে জোড়া গোল করেন রালতে৷ অপর গোলটি জবি জাস্টিনের৷ মোহনবাগানের হয়ে গোলদু’টি করেন আজহারউদ্দিন মল্লিক ও দিপান্ডা ডিকা৷

আরও পড়ুন- ডার্বি জিতে পকেটে বোনাস বোরহাদের, লাল-হলুদে নতুন ‘বাজিরাও’ আলেজান্দ্রো