কলকাতা: ডার্বি হারের দু:স্বপ্ন থেকে বেড়িয়ে আসতে পারলেন না সনি নর্ডিরা৷ ঘরের মাঠে ফের ধাক্কা খেলে সবুজ-মেরুন৷ রবিবার ইস্টবেঙ্গলের কাছে ফিরতি ডার্বি হারের ফলে খেতাবের দৌড় থেকে কার্যত ছিটকে গিয়েছিল মোহনবাগান৷ বুধবার গোকুলাম এফসি-র সঙ্গে ড্র করে তাতে সিলমোহর দিয়ে দিল খালিদ জামিলের ছেলেরা৷

যুবভারতীতে এদিন মোহনবাগান ও গোকুলাম কেরল ম্যাচ শেষ হয়ে ২-২ গোলে৷ কিমকিমার আত্মঘাতী গোলে স্বপ্নভঙ্গ হয় সবুজ-মেরুনের৷ শিলটন ডি’সিলভার গোলে ম্যাচের ১৮ মিনিটে এগিয়ে গিয়েছিল মোহনবাগান৷ কিন্তু এর তিন মিনিটের মধ্যেই কিমকিমার আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে গোকুলাম৷ তার পরই যুবভারতীর ফাঁকা গ্যালারিতে বাগানকে চেপে ধরে কেরলের দলটি৷ মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে জোসেফের গোলে এগিয়ে যায় গোকুলাম৷ বিরতিতে ১-২ পিছিয়ে থেকে মাঠ ছাড়ে বাগান ফুটবলাররা৷

দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা সপ্রতিভ ফুটবল খেলে খালিদের ছেলেরা৷ ম্যাচের ৬০ মিনিটে ডিকার গোলে মানরক্ষা করে মোহনবাগান৷ পরে ম্যাচে আর কোনও গোল না-হওয়ায় ম্যাচ ড্র হয়৷ ডার্বি হারের পর এদিন পয়েন্ট হারিয়ে লিগ তালিকায় একই জায়গায় অবস্থান করছে মোহনবাগান৷ ১৫ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে ছ’ নম্বরেই রয়েছে সবুজ-মেরুন৷ আর ১৪ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে ন’ নম্বরেই থাকল গোকুলাম৷

ডার্বি হারের দু:স্বপ্ন থেকে এখনও বেড়িয়ে আসতে পারেননি বাগান ফুটবলাররা৷ এদিন নর্ডির মাপা কর্নার থেকেও গোলে বল রাখতে পারেননি ডিকা৷ কারণ গত ১৫ বছরে আইলিগের দুই ডার্বিতে হেরে বাগান ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস তলানিতে ঠেকেছে৷ কোচ খালিদও ব্যতিক্রম নয়৷ ডিকার গোলে ম্যাচে সমতায় ফেরার পর হাঁটু গেড়ে মাটিতে মাথা ঠেকান বাগান কোচ৷ ডার্বি ম্যাচের হারের পর এদিন দলে তিনটি পরিবর্তন করেছিলেন খালিদ৷ অভিষেক আম্বেদকর, পিন্টু মাহাতো ও ডারেন কালদেরিয়ার পরিবর্তে এদিন অরিজিৎ বাগুই, আজহারউদ্দিন মল্লিক ও শিলটনকে খেলান বাগান কোচ৷ কিন্তু জয়ের মুখ দেখেনি গঙ্গাপাড়ের ক্লাব৷