কলকাতা: লকডাউনের জেরে কিছুটা দেরিতে হলেও কথা রেখেছিলেন মোহনবাগান কর্তারা। গত মাসের মাঝামাঝি এবং চলতি মাসের শুরুতে দু’টি কিস্তিতে ফুটবলারদের বকেয়া সমস্যা মিটিয়ে দিয়েছিল ক্লাব। একইসঙ্গে লিগ জয়ের পর প্রতিশ্রুতি মতো বোনাসের অর্থও ফুটবলাররা যথাসময়ে পেয়ে যাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন কর্তারা।

কথামতো করোনা আবহেও লিগ জয়ী ফুটবলার এবং সাপোর্ট স্টাফদের বোনাসের অর্থও মিটিয়ে দিল মোহনবাগান। বুধবারই ক্লাবের তরফ থেকে এক বিবৃতি মারফৎ বোনাসের অর্থ মিটিয়ে দেওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার ক্লাবের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয় যে, ‘আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে প্রতিশ্রুতি মতো আজ আমরা কোচ, ফুটবলার, সাপোর্ট স্টাফ এবং মাঠ কর্মী-সহ সকল স্টাফদের ২০১৯-২০ মরশুমে আই লিগ জয়ের বোনাস অর্থ মিটিয়ে দিয়েছি।’

চলতি মাসের শুরুতে ফুটবলারদের বকেয়া পারিশ্রমিক মিটিয়ে দিয়ে বাগান কর্তারা জানিয়েছিলেন ফেডারেশন থেকে আই লিগ জয়ের পুরস্কার মূল্য হাতে পেলেই লিগ জয়ের বোনাস তাঁরা মিটিয়ে দেবেন। গত সপ্তাহে ফেডারেশন থেকে আই লিগ জয়ের পুরস্কারমূল্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে মোহনবাগানকে। তাই আর দেরি না করে ফুটবলার, সাপোর্ট স্টাফদের বোনাস বুঝিয়ে দিলেন কর্তারা। কোচের সঙ্গে কথা বলে ফুটবলারদের কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এরপর গ্রেডেশন পদ্ধতিতে বোনাসের অর্থ ফুটবলারদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছেন কর্তারা।

উল্লেখ্য, লকডাউনের জেরে মাঝপথেই ২০১৯-২০ আই লিগে ইতি টানতে বাধ্য হয়েছিল ফেডারেশন। কিন্তু পয়েন্টের নিরিখে স্থগিত হওয়ার আগে লিগ টেবিলে মোহনবাগান যোজন এগিয়ে থাকায় লিগ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয় কিবু ভিকুনার দলকে। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন হলেও যথাসময়ে ফুটবলারদের বেতন মিটিয়ে দিতে সমস্যায় পড়েছিলেন কর্তারা।

তবে মোহনবাগান কর্তারা কথা দিয়েছিলেন জুন মাসের মধ্যে বকেয়া বেতনের অর্ধেক তাঁরা মিটিয়ে দেবেন ফুটবলারদের। বাকিটা ২০ জুলাইয়ের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলে তাঁরা। কথামতোই আইএসএলের মানচিত্রে পুরোপুরি ঢুকে পড়ার আগে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই ফুটবলারদের সমস্ত বকেয়া বেতন মিটিয়ে দিয়েছিলেন তাঁরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।