কলকাতা: গতবার গোলপার্থক্যের নিরিখে লিগের ফয়সালা হয়েছিল৷ এবারও লিগের যা গতিবিধি তাতে গোল পার্থক্যই লিগ খেতাবের নিয়ন্ত্রক হয়ে দাঁড়াতে পারে শেষ পর্যন্ত৷

অষ্টম রাউন্ডের লড়াই শেষে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল উভয় দলের সংগৃহীত পয়েন্ট সংখ্যা ও গোলপার্থক্য সমান৷ ডার্বিতেও দু’দলের কেউই আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি৷ এই অবস্থায় লিগের শেষ তিন রাউন্ডের ম্যাচে গোল পার্থক্য বাড়িয়ে রাখাই প্রধান লক্ষ্য দুই প্রধানের৷ সেই লক্ষ্যে যথাযথ পদক্ষেপ মোহনবাগানের৷

আরও পড়ুন: পারমুটেশন-কম্বিনেশন ভেঙে মরশুমের প্রথম ডার্বি নিষ্ফলা

বড় ম্যাচে জোড়া গোলে এগিয়ে থেকেও ইস্টবেঙ্গলকে হারাতে পারেনি শংকরলালের দল৷ ২-২ গোলে ড্র করেই সম্তুষ্ট থাকতে হয়েছে বাগানকে৷ লিগের ঠিক পরের ম্যাচেই বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিল সবুজ-মেরুন শিবির৷ ডিকার দুরন্ত হ্যাটট্রিকে ভর করে ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়াকে ৫-০ গোলে পরাজিত করল তারা৷ সেই সঙ্গে লিগ খেতাবের লক্ষ্যে লাল-হলুদ বাহিনীর থেকে এক পা এগিয়ে থাকল সদ্য স্পনসর পাওয়া মোহনবাগান৷

ম্যাচের শুরু থেকে ফুড কর্পোরেশন মোহনবাগানের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে লড়াই চালায়৷ তবে প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে ডিকার গোলে এগিয়ে যায় সবুজ মেরুন বাহিনী৷ ইনজুরি টাইমে (৪৫+৩) অভিষেকের ফ্রি-কিক থেকে গোল করেন ডিকা৷

আরও পড়ুন: ড্র’য়ে নিস্পত্তি বাঙালির ফুটবল মহাযুদ্ধ

দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান আরও চারটি গোর করে, যার মধ্যে দু’টি আসে ডিকার পা থেকে৷ ৬১ মিনিটে অরিজিৎ বাগুইয়ের ক্রস থেকে হেডে গোল করেন ডিকা৷ ৬৮ মিনিটে পিন্টু মাহাতার ক্রস থেকে গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন দিপান্ডা৷ চলতি লিগে ডিকার এটি দশ নম্বর গোল৷

৭২ মিনিটে ডিকাকে কনুই মেরে লাল কার্ড দেখেন ফুট কর্পোরেশনের অধিনায়ক লক্ষ্মীকান্ত দে৷ ৭৩ মিনিটে তীর্থঙ্করের ফ্রি-কিক থেকে গোল করেন বড় ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের জালে বল জড়ানো পিন্টু৷ ৮৩ মিনিটে তীর্থঙ্করের কর্ণার থেকেই হেডে মোহনবাগানের হয়ে পঞ্চম গোল কিম কিমার৷

আরও পড়ুন: টিকিটের চাহিদা বৃদ্ধির জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে কৃতিত্ব দিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তা

এইসিআইয়ের বিরুদ্ধে জয়ের সুবাদে ৯ ম্যাচে মোহনবাগানের পয়েন্ট সংখ্যা দাঁড়াল ২৩৷ এক ম্যাচ কম খেলে ইস্টবেঙ্গল দাঁড়িয়ে ২০ পয়েন্টে৷ উল্লেখযোগ্য বিষয় হল ফুড কর্পোরশন ম্যাচের পর মোহনবাগানের গোলপার্থক্য দাঁড়াল +১৮৷ ইস্টবেঙ্গলের গোল পার্থক্য এই মুহূর্তে +১৩৷