কলকাতা: সমর্থকদের উদ্দীপণায় খামতি ছিল না এতটুকু৷ মাঠের লড়াইয়েও ছিল টান টান উত্তেজনা৷ মরশুমের প্রথম বড় ম্যাচ হিট হওয়ার জন্য সব রকম রসদ মজুদ ছিল যুবভারতীতে৷ তা সত্ত্বেও ৯০ মিনিটের আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে ভরা উপভোগ্য কলকাতা ডার্বি ‘জমে ক্ষীর’ বলা যাবে না মোটেও৷ কারণ মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল, দুই প্রধানের কেউই নির্ধারিত সময়ে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়াতে পারেনি৷ ফলে কলকাতা লিগের নিস্ফলা বড় ম্যাচ থেকে গেল গোলশূন্য৷

ইস্টবেঙ্গল কোচ আলেজান্দ্রো মেনেন্দেজ এরিয়ানের বিরুদ্ধে জয় তুলে নেওয়া প্রথম একাদশে ৬টি পরিবর্তন করেন ডার্বিতে৷ কোলাডোর মতো তারকাকে রিজার্ভ বেঞ্চে রেখে দল নামান তিনি৷ এছাড়া লাল-হলুদের প্রথম একাদশে জায়গা হয়নি আশীর আখতার, সামাদ আলি মল্লিক, মনোজ মহম্মদ, হাওকিপ ও বিদ্যাসাগর সিংয়ের৷ পরিবর্তে শুরু থেকে মাঠে নামেন মেহতাব সিং, কমলপ্রীত সিং, অভিষেক আম্বেকর, রোনাল্ডো অসিভেইরা, মার্কোস জিমেনেজ ও পিন্টু মাহাতা৷

আরও পড়ুন: চতুর্মুখী যৌন-সংসর্গে লিপ্ত হয়ে ফের শিরোনামে ওয়ার্ন

মোহনবাগান কোচ অ্যান্তোনিও ভিকুনাও সালভা চামোরোকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখেন৷ জোসেবা বেইতিয়া, আশুতোষ মেহতা ও সুরাবুদ্দিন মল্লিক ফিরে আসেন প্রথম এগারোয়৷

ম্যাচে গোল না-হলেও তুলনায় দাপট বেশি ছিল মোহনবাগানের৷ ১৬ মিনিটের মাথায় প্রথম যথার্থ গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল তারাই৷ জোসেবার সেন্টার থেকে গঞ্জালেজের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়৷ ২২ মিনিটে অলিভিয়েরা গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেন৷ ৪৩ মিনিটের মাথায় সুহের প্রতিপক্ষ গোলকিপারকে একা পেয়েও বল তাঁর হাতে মেরে বসেন৷ ৬০ মিনিটে গোলের আরও একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুহের৷

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে দৌড় থামল কোকোর, ম্যাচের পাশাপাশি হৃদয় জিতলেন ওসাকা

বিরতির পর ইস্টবেঙ্গল ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দেয়৷ যদিও বাগার রক্ষণকে ত্রাসে রাখলেও সবুজ-মেরুনের শেষ রক্ষণ ভেদ করা সম্ভব হয়নি তাদের পক্ষে৷