স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তাঁর ঘোষণা মতো ভূগর্ভস্থ মোহনপুর পানীয় জল প্রকল্পের শিলান্যাস হল৷ শনিবার এই জল প্রকল্পের শিলান্যাস করলেন বারাকপুরের সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী ও নোয়াপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক সুনীল সিং৷

রাজ্য সরকারের পঞ্চায়েত দফতরের ৩৯ কোটি ১৭ লক্ষ টাকায় গড়ে উঠবে এই পানীয় জল প্রকল্পটি। নতুন এই পানীয় জল প্রকল্প গড়ে উঠলে উপকৃত হবেন বারাকপুর ২ নং ব্লকের পাঁচটি মৌজার লক্ষাধিক মানুষ। গভীর নলকূপের মাধ্যমে জল তুলে তা আর্সেনিক দূরীকরণ যন্ত্রের সাহায্যে পরিশোধন করে ওই পাঁচটি মৌজার প্রতিটি বাড়িতে সরবরাহ করা হবে।

২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৬ ঘণ্টা পরিশোধিত আর্সেনিক মুক্ত পানীয় জল পাবেন এলাকার নাগরিক। ফলে মোহনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় মিটতে চলেছে পানীয় জলের সমস্যা। উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বারাসতে শেষ প্রশাসনিক বৈঠকে এসে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন নোয়াপাড়া বিধান সভা কেন্দ্রের শিউলি ও মোহনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পানীয় জল প্রকল্প গড়ে তোলা হবে। শিউলি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে পানীয় জল প্রকল্পর শিলান্যাস আগেই হয়েছে। এবার মোহনপুরে জল প্রকল্পের জন্য প্রায় ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার।

জল প্রকল্প উদ্বোধনের পর নোয়াপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক সুনীল সিং বলেন, আগামী এক বছর তিন মাসের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ করা যাবে। এই জল প্রকল্পের উদ্বোধন করে সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সবসময় বাংলার মানুষের পাশে থেকে কাজ করেন। নতুন এই জল প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে মুখ্যমন্ত্রী নাগরিকদের নতুন এই জল প্রকল্প গড়ে তোলার জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছেন। এদিকে এই জল প্রকল্পের শিলান্যাস হওয়ায় খুশি মোহনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার নাগরিকরা। সকলেই ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।