বারাসত: প্রথম ম্যাচে পাঠচক্রের মতো দলের কাছে পর্যুদস্ত হয়ে মাথা নিচু করে মাঠ ছেড়েছিল সাদাকালো বিগ্রেড৷ কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচেই মাথা উঁচু করে মাঠ ছাড়ল বিশ্বজিত ভট্টাচার্যের ছেলেরা৷ বৃহস্পতিবার কলকাতা প্রিমিয়র লিগে টালিগঞ্জ অগ্রগামীর বিরুদ্ধে ৫-১ জয় পেল মহমেডান স্পোর্টিং৷

বারাসত স্টেডিয়ামে এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে মহমেডান৷ ৮ মিনিটেই গোল করে মহমেডানকে এগিয়ে দিয়েছিলেন শেখ ফয়াজ। তীর্থঙ্করের বাঁ-দিক থেকে তোলা ক্রসে হেড টালিগঞ্জের জালে বল জড়ান ফয়াজ। এর পর একের পর এক সুযোগ পায় সাদাকালো ফুটবলাররা৷ ৩৪ ও ৩৫ মিনিটে পর পর সহজ সুযোগ নষ্ট করেন জিতেন মূর্মূ ও দীপেন্দু। কিন্তু প্রথমার্ধের আগে ব্যবধান ১-০ থেকে বাড়াতে পারেনি বিশ্বজিতের ছেলেরা৷

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল করে ব্যবধান বাড়ান মূর্মূ৷ ৪৭ মিনিটে গোলের তাঁর গোলে ২-০ করে মহমেডান৷ যদিও এই গোলে বড় অবদান টালিগঞ্জ গোলকিপারের। বল ক্লিয়ার করে তা জমা দিলেন প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় জিতেনের পায়ে। পিছন থেকে দ্রুত উঠে এসে গোলে করতে ভুল করেননি জিতেন৷ এর ঠিক ১০ মিনিটের মধ্যেই দীপেন্দু দুয়ারির গোলে ৩-০ করে সাদাকালো শিবির৷

দ্বিতীয়ার্ধের দেখা গেল অন্য মহমেডানকে৷ ৮৩ মিনিটে ৪-০ করেন জিতেন মূর্মূ। জোড়া গোল করে ম্যাচের নায়ক তিনি৷ এর পরই ব্যবধান কমায় টালিগঞ্জ। বিজয় মান্ডির ডান পায়ের শট চলে যায় মহমেডান গোলে। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে পরিবর্ত হিসেবে নেমে ৫-১ করেন দেবাশিস প্রধান। প্রথম ম্যাচ হেরে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে পেরে খুশি মহমেডান কোচ বিশ্বজিত৷প্রথম ম্যাচে পাঠচক্রের কাছে ২-৪ গোলে হেরেছিল সাদাকালো শিবির৷