স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পাঁচরাজ্যে লোকসভা ভোটে বিজেপির ভরাডুবির পরদিনেই শহরে এলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভগবত৷ ঝটিকা সফরে কলকাতার বেশ কয়েকজনের বাড়িতেও যান আরএসএস প্রধান৷ সুত্রের খবর সল্টলেকে তপন চক্রবর্তী, রমেশ সারগোলির নামের দুজনের সঙ্গে দেখা করেন তিনি৷ তবে পুরো বিষয়টিতেই সারাদিন ধরে ভালোমত গোপনীয়তা রক্ষা করল রাজ্য আরএসএস৷

মোহন ভগবত শহরে থাকাকালীন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখলেন বাংলা আরএসএসের কার্যকর্তারা৷ বিশেষজ্ঞদের মতে কোনরকম অপ্রীতিকর বিতর্ক এড়াতেই এই ব্যবস্থা নিয়েছে সংঘ৷ যদিও রাজ্যের এক আরএসএস নেতা কয়েকদিন আগেই জানিয়েছিলেন সরসঙ্ঘচালক প্রতি বছরই আসেন৷ সাংগঠনিক কাজকর্ম দেখাশোনা করেন৷ এবারেও তিনি কলকাতার কিছু বুদ্ধিজীবিদের সঙ্গে দেখা করবেন৷ তবে পুরোটায় ঘরোয়া আয়োজন৷

রথযাত্রা নিয়ে রাজ্য বিজেপি বনাম শাসক দলের লড়াই গড়িয়েছে আদালত অবধি৷ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে রথযাত্রা নিয়ে চরম অসহযোগীতার অভিযোগ করেছে বিজেপি৷ দলের তরফ থেকে ১৮টি চিঠি দেওয়া সত্ত্বেও রাজ্য সরকার কোনও উত্তর দেয়নি৷ রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর চিঠিরও জবাব দেয়নি রাজ্য৷

এরকম অবস্থায় বাংলায় আরএসএস প্রধানের সফর যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ৷ আরএসএসের পক্ষে যায় বলা হোক না কেন বিশেষজ্ঞদের মতে লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে রাজ্যে বিজেপি এবং সংঘের কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতেই এই সফর৷

সুত্রের খবর অনুসারে জাস্টিস শুভ্র কমল মুখোপাধ্যায়, অ্যাডভোকেট অনিন্দ্য মিত্রের সঙ্গেও দেখা করে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন মোহন ভগবত৷ গোয়েন্দা সুত্রে খবর দেশে এবং বিদেশে প্রতিষ্ঠিত পুরনো সংঘীদের সঙ্গে দেখা করে তাদের নতুন করে বিভিন্ন কাজের দায়িত্ব নেওয়ার কথাও বলেন আরএসএস প্রধান৷ এর মধ্যে ফান্ড রেইজিংয়ের মত বিষয়ও রয়েছে বলে সুত্রের খবর৷ তবে কী জন্যে এই ফান্ড-রেইজিং তা অবশ্য জানা যায়নি৷ বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে রাম মন্দিরের নির্মানের জন্যেও এই ফান্ড হতে পারে৷ সন্ধ্যে নাগাদ কলকাতা ছেড়ে নাগপুরের উদ্দেশ্যে উড়ে যান মোহন ভগবত৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।