সিডনি: এসসিজি-তে বর্ণবৈষম্যের শিকার হলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা৷ সিডনি টেস্টের তৃতীয় দিন মহম্মদ সিরাজের উদ্দেশে দর্শকাসন থেকে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করা হয়৷ ঘটনা প্রথমে আম্পায়ারকে জানান ভারত অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে৷ পরে ভারতীয় দলের তরফে ম্যাচ-রেফারির কাছে এই মর্মে অভিযোগ জানানো হয়৷

সিডনি টেস্টের তৃতীয় দিন অর্থাৎ শনিবার অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ের সময় বাউন্ডারির ধারে ফিল্ডিং করেছিলেন টিম ইন্ডিয়ার পেসার সিরাজ৷ দশর্কাসন থেকে বেশ কিছু মত্ত দর্শক ভারতীয় পেসারের বিরুদ্ধে বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য করেন৷ পরে একই ঘটনা ঘটে বুমরাহের সঙ্গেও৷ ম্যাচের পর ক্যাপ্টেন অজিঙ্ক রাহানে-সহ দলের বেশ কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটার বিষয়টি দুই ফিল্ড আম্পায়ার পল উইলসন ও পল রাইফেলের কাছে অভিযোগ জানান৷ সেখানে হাজির ছিলেন বুমরাহ ও সিরাজ৷ এ নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ দুই আম্পায়ার, নিরাপত্তারক্ষী এবং ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে আলোচনা হয়।

পরে ভারতীয় দলের নিরাপত্তা আধিকারিক মাঠের নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আইসিসি-র নিরাপত্তা আধিকারিক৷ এরপর ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে ম্যাচ-রেফারির কাছে বর্ণবৈষম্য মন্তব্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়৷ ঘটনাটি ঘটে তৃতীয় দিনের শেষ সেশনে৷ বাউন্ডারির ধারে অর্থাৎ ফাইন-লেগে ফিল্ডিং করছিলেন সিরাজ৷ এসসিজি-র ব়্যান্ডউইক প্রান্তের দর্শকাসন থেকে তাঁর উদ্দেশে বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য করে বেশ কয়েকজন মত্ত দর্শক৷

করোনা প্রকোপের কারণে এসসিজি-তে ভারত-অস্ট্রেলিয়া টেস্টে মাঠে মাত্র ১০ হাজার দর্শককে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়৷ মাঠে অল্প সংখ্যক দর্শক থাকায় প্রত্যেকটি আওয়াজ স্পষ্টভাবে শোনা যাচ্ছিল। ফলে সিরাজের অভিযোগের ভিত্তিতে অডিও ক্লিপ জমা দিতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট। বিষয়টি আইসিসি-র বিবেচনাধীন বলে জানা গিয়েছে। ভারতের অভিযোগ সত্যি বলে প্রমাণিত হলে বাকি দিনগুলিতে মাঠে দর্শকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে।

মাঠে কোনও বর্ণ-বৈষম্য আচরণ করা বরাদ্ত করে না আইসিসি৷ বিশ্বক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা অভিযুক্ত দর্শকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে৷ গত বছর ইংল্যান্ডের মাটিতে বিশ্বকাপ ফাইনালের সুপার ওভারের সময় ইংল্যান্ড পেসার জোফরা আর্চারের উদ্দেশেও বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য করা হয়েছিল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.