লখনউ: লকডাউনের মধ্যেই ধীরে ধীরে আউটডোর ট্রেনিং শুরু করে দিচ্ছেন ভারতীয় ক্রিকেটারা৷ শার্দুল ঠাকুর, চেতেশ্বর পূজারা ও রোহিত শর্মার পর মাঠে দৌড়তে দেখা গেল ভারতীয় দলের আরও এক ক্রিকেটারকে৷

করোনাভাইরাসের কারণে সারা দেশে এখনও চলছে লকডাউন৷ কিন্তু মাস তিনেকের পর এবার বাইরে ট্রেনিং করতে শুরু করে দিলেন ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা৷ টিম ইন্ডিয়ার ডানহাতি পেসার মহম্মদ শামি তাঁর ওয়ার্ক-আউটের ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন৷ ইনস্টাগ্রামে তিনি যে ভিডিওটি পোস্ট করেছেন, তাতে দেখা যাচ্ছে যে, তিনি তাঁর পোষা কুকুরের সাহায্যে গতি বাড়ানোর প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।

স্প্রিন্টের বেশিরভাগ অংশে শামি তাঁর কুকুরের চেয়ে এগিয়ে ছিল৷ কিন্তু শেষের দিকে, কুকুরটি কিছুটা গতি বাড়িয়ে তুলেছিল এবং তারা উভয়ই একে অপরের থেকে পৃথকভাবে রেস শেষ করেছে বলে মনে হচ্ছে। “জ্যাকের সঙ্গে গতির কাজ করুন” শামি ভিডিওটির ক্যাপশন দিয়েছেন।

শামি তিন ফর্ম্যাটেই বিরাট কোহলির দলের অন্যতম সদস্য৷ ভারতের পেস-অ্যাটাকের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং ভবিষ্যতে যখনই ক্রিকেট আবার শুরু হবে তখন নিজেকে ফিট রাখতে এবং প্রস্তুত রাখতে তিনি কঠোর প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। বেশিরভাগ ক্রিকেটারের মতো শামি করোনভাইরাস বিরতির সময় ঘরে বসে সময় কাটাচ্ছেন। সম্প্রতি তিনি উত্তরপ্রদেশের নিজের বাড়ি সাহসপুরে একটি মাঠে নিজের বোলিং প্রশিক্ষণ শুরু করার একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন।

তার প্রতিদিনের প্রশিক্ষণ ছাড়াও এই কঠিন সময়ে অসহায় শ্রমিকদের খাবার, জল, মাস্ক বিতরণ করে দেশের হৃদয় জিতে নিয়েছেন শামি। চলতি মাসের শুরুতে পরিযায়ী শ্রমিকরা উত্তরপ্রদেশে তাঁর বাড়ির পাশে হাই রোড ধরে যখন যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই তাদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন টিম ইন্ডিয়ার তারকা পেসার।

বিসিসিআই-এর তরফে শামির এই ভিডিও শেয়ার করা হয়৷ সেই ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘দেশ যখন করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করছে, তখন উত্তরপ্রদেশের ২৪ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে খাবার, মাস্ক দিয়ে শ্রমিকদের বাড়ি পৌঁছাতে সাহায্য করেন মহম্মদ শামি। সাহসপুরে নিজের বাড়ির পাশে খাবার বিতরণ কেন্দ্রও তৈরি করেছে ও। এই যুদ্ধে আমরা সবাই এক সঙ্গে রয়েছি।’

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রাস্তায় যাঁরা গাড়ির প্রতীক্ষায় রয়েছেন, তাদের পানীয় জল বিতরণ করছেন। বাকিদের হাতে খাবারের প্যাকেট ও কলা তুলে দিচ্ছেন। উত্তর প্রদেশের আমরোহার কাছে জাতীয় সড়কের পাশে খাদ্য ও জল বিতরণ করতে তাঁবু স্থাপন করেছেন শামি৷ তিনি প্রায় ২০০ লোককে খাবার ও কলা বিতরণ করেন৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ