সাহাসপুর: চার মাস পর লকডাউন কাটিয়ে ধীরে ধীরে মাঠে ফিরছেন ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা৷ নিজেদের মতো ট্রেনি শুরু করে দিয়েছেন বিরাট দলের এই খেলোয়াড়রা৷ তবে লকডাউনে গ্রামের বাড়িতে থাকায় মেট্রো শহরে থাকা ক্রিকেটারদের থেকে ফিটনেসে নিজেকে এগিয়ে রাখছেন মহম্মদ শামি৷

শুধু তাই নয়, ভারতীয় দলের ঠাসা সূচির মধ্যে এই ব্রেকটা দরকার ছিল বলেও মনে করেন ভারতীয় দলের ডনহাতি পেসার৷ পিটিআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শামি জানিয়েছেন, তিনি মেট্রো শহরে থাকা ভারতীয় দলের অন্য ক্রিকেটারদের থেকে কিছুটা হলেও অ্যাডভান্টেজ পাচ্ছেন তিনি৷ লকডাউন থেকেই উত্তরপ্রদেশে তাঁর গ্রাম সাহাসপুরের বাড়িতে রয়েছে টিম ইন্ডিয়ার এই ডানহাতি পেসার৷

মাসখানেক আগে থেকেই ট্রেনিংয়ে ফিরেছেন শামি৷ কয়েকদিন ফিজিক্যাল ট্রেনিংয়ের পর নেটেও নেমে পড়েন বছর উনত্রিরিশের এই ফার্স্ট বোলার৷ তিনি বলেন, ‘লকডাউনে এই ব্রেকটা দু’টো দিকে কাজে দিয়েছে৷ ভারতীয় দলে সবসময় ঠাসা সূচি থাকে৷ সুতরাং আমাদের ক্লান্ত শরীরের জন্য এই ব্রেকটা কাজে লেগেছে৷ এই সময় আমরা আগের থেকে ফিজিক্যালি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পেরেছি৷ পাশাপাশি ছন্দটাও ধরে রাখতে পেরেছি৷’

করোনা পরিস্থিতি আরও একটু স্বাভাবিক হলে কন্ডিশনিং ক্যাম্প করার কথা ভাবছে বিসিসিআই৷ এটা তাদের কাছে অ্যাডভান্টেজ হবে বলেও মনে করেন শামি৷ ৪৯টি টেস্টে ১৮০টি উইকেট নেওয়া ভারতীয় দলের এই ডানহাতি পেসার বলেন, ‘অবশ্য, আমি নিয়মিত ফিজিক্যাল ট্রেনিং করার সুবিধা পাব৷ এটা ইনজুরি ব্রেকের মতো নয়৷ আমি ভালো ছন্দে রয়েছি৷ পুরোদমে বোলিং করতে গিয়ে আমার কোনও সমস্যা হচ্ছে না৷’

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।