কলকাতা: ইডেনে ঐতিহাসির পিঙ্ক টেস্ট ঘিরে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে৷ প্রথম তিনদিনের টিকিটে অন-লাইনেই নিঃশেষ৷ ইন্দোরের মতো এই টেস্টেও তিন দিনেই শেষ হবে যাবে বলে মনে করছেন অনেকেই৷ শুক্রবার থেকে ক্রিকেটের নন্দনকাননে শুরু হচ্ছে ভারতের মাটিতে প্রথম দিন-রাতের টেস্ট৷

গোলাপি বলে লেন্থ নির্ধারণ করে ‘বাংলাদেশ বধ’ ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করেন মহম্মদ শামি। ইন্দোরে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশকে একাই বল হাতে শেষ করে দেন বাংলার তারকা পেসার। ইডেনেও গোলাপি বলে তিনি আগুন ঝড়াতে চলেছেন টিম ইন্ডিয়ার এই ডানহাতি পেসার৷ ভারতীয় পেসারদের মধ্যে একমাত্র শামির রাতের আলোয় গোলাপি বলে প্রথমশ্রেণির ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে শামির৷ বছর চারেক আগে সিএবি সুপার লিগে গোলাপি বলে দিন-রাতের খেলেছিলেন শামি৷

গোলাপি বলে ফ্লাড-লাইটে ম্যাচে খেলার অভিজ্ঞতা সম্প্রচারকারি স্টার স্পোর্টস-এর একটি টক শো-য়ে জানান, ‘ইডেনে বোলারকে পিচের দিকে নজর রাখতে হবে। পিচ কেমন ব্যবহার করছে, সেই বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। পিচ এমনটু মন্থর হয়ে গেলে বলের গতি ও লেন্থের তারতম্য ঘটাতে হবে৷’

ইডেনে গোলাপি বলে দিনরাতের টেস্টে এটাই মহম্মদ শামির প্রধান অস্ত্র হতে চলেছে। এই মুহূর্তে দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন শামি। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ইন্দোরে প্রথম টেস্টে দু’ইনিংসে শামির সংগ্রহ যথাক্রমে ২৭ রানে ৩ উইকেট এবং ৩১ রানে ৪ উইকেট। তাঁর বিধ্বংসী বোলিংয়ের ফলে তিন দিনের আগেই আত্মসমপর্ণ করে বাংলাদেশ৷

ইডেনে ঐতিহাসিক গোলাপি বলে টেস্ট নিয়ে শামি জানান, একজন বোলারকে সব সময় পিচের চরিত্র ও তার আচরণের ব্যাপারটা ভালো করে বুঝে নিতে হয়। সেই মতো বোলিং করতে হয়৷ ইডেনের বাইশ গজ শামির হাতের তালুর মতো চেনা৷ কারণ এখানেই বাংলার হয়ে প্রচুর ম্যাচ খেলেছেন বিরাটের দলের এই ডানহাতি পেসার৷ যিনি জসপ্রীত বুমরাহের অনুপস্থিতিতে ভারতীয় দলে পেস আক্রমণকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন৷

আজ থেকে ছ’ বছর আগে এই নভেম্বরেই ইডেনে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল শামির৷ ৬ নভেম্বর, ২০১৩ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৯ উইকেটে নিয়ে স্বপ্নের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল মোরাদাবাদের এই পেসারের৷ মাঝে কিছুটা সময় খারাপ গেলেও গত বছর অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে আবার সমহিমায় দেখা গিয়েছে শামিকে৷ ইডেনে গোলাপি বলে তাঁর খেলার অভিজ্ঞতা আরও ভয়ঙ্কর করতে পারে বিরাটের দলের এই বোলারকে৷