কলকাতা: দলগঠনে চমক অব্যাহত ইস্টবেঙ্গলের। শেহনাজ সিং, কেভিন লোবো, বিকাশ জাইরুদের পর আরেক প্রাক্তনী মহম্মদ রফিককে কার্যত পাকা করার পথে লাল-হলুদ। কথাবার্তা প্রায় চূড়ান্ত, শেষমুহূর্তে বড়সড় নাটক না হলে বাঙালি মিডফিল্ডারের ফের লাল-হলুদ জার্সি গায়ে চাপানো এখন সময়ের অপেক্ষা।

২০১৪-১৮ চার মরশুম ইস্টবেঙ্গলের জার্সি গায়ে মাঝমাঠের দায়িত্ব সামলেছেন রফিক। ইস্টবেঙ্গলে খেলার পাশাপাশি লোনে এটিকে’তে দু’টি মরশুম খেলেছিলেন তিনি। যারমধ্যে প্রথম মরশুমে আইএসএল ফাইনালে তাঁর গোলেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল এটিকে। ২০১৬ লোনে কেরালা ব্লাস্টার্সের হয়েও আইএসএল খেলেন রফিক। এরপর ২০১৮ আই লিগ ছেড়ে পাকাপাকিভাবে মুম্বই সিটি এফসিতে যোগদান করেন তিনি। সেখান থেকেই ফের পুরনো ক্লাবে তাঁর দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করার পথে রফিক।

আগামী মরশুমে কোন লিগে খেলবে দল। সেটা চুড়ান্ত না হলেও দলগঠনে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করেছে ইস্টবেঙ্গল। ইনভেস্টর কোয়েসের সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়ে গেলেও লকডাউনের বাজারেই ওমিদ সিং, বলবন্ত সিং, শংকর রায়, শেহনাজ সিং, বিকাশ জাইরু, মহম্মদ ইরশাদ কিংবা কিগান পেরেরাকে চুক্তিবদ্ধ করেছে ইস্টবেঙ্গল। দেশীয় ফুটবলার হিসেবে রফিক চূড়ান্ত হলে সেটা আরও ইতিবাচক হিসেবেই পরিগণিত হবে দলের জন্য।

তবে আসন্ন মরশুমে কোয়েসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ফুটবলারদের দলে রাখার ব্যাপারে একটু সমস্যায় ইস্টবেঙ্গল। যাদের সঙ্গে আগামী মরশুম অবধি কোয়েসের চুক্তি ছিল তাদের মধ্যে সবাইকে আসন্ন মরশুমে রাখতে রাজি নন ক্লাব-কর্তারা। তালিকায় রয়েছে বোইথাং হাওকিপ, গত মরশুমের অধিনায়ক লালরিনডিকা রালতের পাশাপাশি স্প্যানিশ মিডিও হাইমে কোলাডোরও নাম।

একইভাবে কোয়েসের সঙ্গে চুক্তি হওয়া বেশ কিছু ফুটবলারকে দলে রাখতেও আগ্রহী লাল-হলুদ। তালিকায় রয়েছেন সামাদ আলি মল্লিক, ব্র্যান্ডন, অভিষেক আম্বেকররা। এদিকে লকডাউনের কারণে দীর্ঘ সময় কলকাতায় আটকে থাকার পর সড়কপথে শুক্রবার মিজোরাম ফিরছেন ডিকা, ব্র্যান্ডনরা। গতকাল দীর্ঘ পথ বাইকযাত্রা করে কেরলে নিজের বাড়ি পৌঁছেছেন গোলরক্ষক মিরশাদ।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।