নয়াদিল্লি: স্ত্রী হাসিন জাহানের গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগে বারংবার থমকে গিয়েছে তাঁর কেরিয়ারের গতি। তবু লড়াই ছাড়েননি। সব প্রতিবন্ধকতাকে দূরে সরিয়ে ভারতীয় পেস বিভাগে বর্তমানে অন্যতম ভরসার নাম মহম্মদ শামি। কিন্তু জীবনে একাধিকবার এমন সময় এসেছে যখন নাকি সমস্ত লড়াই থেকে নিজেকে সরিয়ে জীবন থেকে ছুটি নিতে চেয়েছিলেন তিনি। জীবনে তিন-তিনবার আত্মঘাতী হতে চেয়েছিলেন বঙ্গ পেসার, জাতীয় দলের সতীর্থ রোহিত শর্মার সঙ্গে সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে লাইভ চ্যাট সেশনে এমনই অবাক করা ঘটনার কথা জানালেন এই জোরে বোলার।

রোহিতের সঙ্গে চ্যাট সেশনে জীবনের ভয়ঙ্কর অধ্যায়ের কথা জানাতে গিয়ে শামি বলেন, খারাপ সময় ভুল রাস্তা থেকে তাঁর পরিবার তাঁকে ফিরিয়ে এনেছে। শামির কথায়, প্রিয়জনেরা পাশে ছিল বলেই হতাশার কালো অধ্যায় পেরিয়ে পুনরায় জীবনের মূল স্রোতে ফিরতে পেরেছেন এবং সাফল্যের সরণিতে হাঁটতে পেরেছেন তিনি। বঙ্গ পেসার জানিয়েছেন, ২০১৫ বিশ্বকাপের পর চোটের জন্য তাঁকে দীর্ঘ ১৮ মাস মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল। এরপর সবেমাত্র যেই বাইশ গজে ফিরেছেন ঠিক তখনই পারিবারিক সমস্যায় জড়িয়ে পড়েন তিনি।

পরোক্ষভাবে প্রাক্তন স্ত্রী হাসিন জাহানের সঙ্গে তাঁর তিক্ততার কথাই যে শামি ইঙ্গিত করেছেন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। জীবনের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অধ্যায় প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শামি জানান, ‘২০১৫ বিশ্বকাপে চোট পাওয়ার পর সম্পূর্ণ সেরে উঠতে আমার ১৮ মাস সময় লেগেছিল। ওটাই ছিল জীবণের সবচেয়ে যন্ত্রণার অধ্যায়। অত্যন্ত হতাশার। পুনরায় আমি যখন বাইশ গজে ফিরি তখন ব্যক্তিগত নানা সমস্যা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। ওই সময় আমি তিনবার আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলাম।’

টেস্ট হোক কিংবা ওয়ান-ডে, পেস বিভাগে ভারতের অন্যতম ভরসার কথায়, পরিবার পাশে না দাঁড়ালে আমি ওই অধ্যায়টা কাটিয়ে উঠতে পারতাম না। শামির কথায়, পরিবারের কোনও না কোনও সদস্য আমায় সর্বক্ষণ নজরে রাখত। পরিবার আপনার সঙ্গে থাকলে যে কোনও খারাপ পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা অনেক সহজ হয়। তেমনই আমার পরিবারও সেই সময় আমার পাশে ছিল। পরিবারের জন্যই আমি ভুল পথে পা বাড়াইনি। এজন্য সারাজীবন আমি আমার পরিবারের কাছে কৃতজ্ঞ।’

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও